<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>কারেন্ট ইস্যু-বাংলাদেশের একমাত্র অনলাইন ক্যারিয়ার ম্যাগাজিন।</title>
	<atom:link href="http://www.currentissuebd.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.currentissuebd.com</link>
	<description>আমাকে রাখে সময়োপযোগী</description>
	<lastBuildDate>Wed, 27 Jan 2010 14:48:01 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.9.1</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>কানাডায় উচ্চ শিক্ষা</title>
		<link>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%89%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9a-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%89%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9a-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 27 Jan 2010 14:42:10 +0000</pubDate>
		<dc:creator>কারেন্ট ইস্যু</dc:creator>
				<category><![CDATA[বিশেষ]]></category>
		<category><![CDATA[উচ্চ শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[কানাডা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.currentissuebd.com/?p=1798</guid>
		<description><![CDATA[উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডা। উন্নত বিশ্বের অন্যতম একটি দেশ। উচ্চ শিক্ষার এক চমৎকার স্থান। গোটা দেশজুড়ে এখানকার বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলো ছড়িয়ে আছে। Association of Universities and College of Canada (AUCC)-ই কানাডার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করে। এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৯টি। এখানকার পড়াশোনা, ডিগ্রি  বিশ্বমানের।  কর্মসংস্থান ও জীবন সবদিক থেকেই কানাডার স্থান প্রথম দিকে। পড়াশোনা শেষে এখানে কর্মসংস্থানসহ এমনকি পড়াশোনা অবস্থায়ই নাগরিকত্ব লাভের সুযোগও রয়েছে। বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের কাছে বিদেশে উচ্চ শিক্ষায় কানাডা অন্যতম পছন্দ। এ নিয়েই এবারের আয়োজন কানাডায় উচ্চ শিক্ষা।
শিক্ষার ধরন :
কানাডায় উচ্চ শিক্ষা লাভে আন্ডার গ্রাজুয়েট, পোস্ট ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><a href="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/study-abroad.jpg"><img class="alignleft size-full wp-image-1799" style="margin-left: 8px; margin-right: 8px;" title="study-abroad" src="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/study-abroad.jpg" alt="" width="266" height="215" /></a>উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডা। উন্নত বিশ্বের অন্যতম একটি দেশ। উচ্চ শিক্ষার এক চমৎকার স্থান। গোটা দেশজুড়ে এখানকার বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলো ছড়িয়ে আছে। Association of Universities and College of Canada (AUCC)-ই কানাডার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করে। এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৯টি। এখানকার পড়াশোনা, ডিগ্রি  বিশ্বমানের।  কর্মসংস্থান ও জীবন সবদিক থেকেই কানাডার স্থান প্রথম দিকে। পড়াশোনা শেষে এখানে কর্মসংস্থানসহ এমনকি পড়াশোনা অবস্থায়ই নাগরিকত্ব লাভের সুযোগও রয়েছে। বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের কাছে বিদেশে উচ্চ শিক্ষায় কানাডা অন্যতম পছন্দ। এ নিয়েই এবারের আয়োজন কানাডায় উচ্চ শিক্ষা।<span id="more-1798"></span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong>শিক্ষার ধরন :</strong><br />
কানাডায় উচ্চ শিক্ষা লাভে আন্ডার গ্রাজুয়েট, পোস্ট গ্রাজুয়েট এবং ডক্টরেট রয়েছে। এখানে একজন শিক্ষার্থী ফুলটাইম অথবা পার্টটাইম পড়াশোনা করতে পারে। এ শিক্ষার পাশাপাশি এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কো-অপারেটিভ এডুকেশন, ডিস্ট্যান্ট লার্নিং, কন্টিনিউয়িং এডুকেশন ইত্যাদি কোর্স রয়েছে। রুম, ল্যাবের বাইরেও এখানে শিক্ষার দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য রয়েছে ওয়ার্কশপ ও কাউন্সেলিং ব্যবস্থা, পড়াশোনার সহযোগিতার জন্য রয়েছে স্কলারশিপ।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>পড়াশোনার মাধ্যম :</strong><br />
কানাডায় ইংরেজি এবং ফ্রেঞ্চ দুটিই অফিসিয়াল ভাষা। তাই সব বিশ্ববিদ্যালয়েই এ দু’ভাষাতেই পড়াশোনা করা যায়। আপনি কোন বিষয়ে পড়বেন সেটা আগেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। তবে ইংরেজি ভাষা পড়তে TOEFL-এ আপনার স্কোর থাকতে হবে ৫-৬ এর অধিক। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে এর ভিন্নতা আছে। আর ফরাসী ভাষায় পড়ার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>পড়াশোনার বিষয় :</strong><br />
কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্ডার গ্রাজুয়েট পর্যায়ে প্রায় দশ হাজার এবং পোস্ট গ্রাজুয়েট পর্যায়ে প্রায় তিন হাজারটি বিষয় রয়েছে। এর অন্যতম হলো- এডুকেশন, বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ইকোনোমিক্স, ইতিহাস, রিলিজিওন, ইংরেজি, কম্পিউটার সায়েন্স, ফুড সায়েন্স, বায়োলজি, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ইলেকট্রনিক্স, মেডিক্যাল সায়েন্স, মেরিন অ্যাফেয়ার্স, জিওগ্রাফি, অ্যাস্ট্রোনমি, ফিলোসফি, আইন, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>পড়াশোনা ও থাকা খাওয়ার খরচ :</strong><br />
কানাডার বিভিন্ন প্রদেশে খরচও বিভিন্ন রকম। এ ভিন্নতা আবার বিশ্ববিদ্যালয়, ফ্যাকাল্টি বা বিষয়ের ভিন্নতায়ও বিভিন্ন রকম হয়। তবে আন্ডার গ্রাজুয়েট ৩-৪ বছরব্যাপী কোর্সে টিউশন ফি আনুমানিক বছরে ৫-৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে। আর পোস্ট গ্রাজুয়েট ১-২ বছর মেয়াদি কোর্সে বছরে ৬ থেকে ১০ লাখ পর্যন্ত লাগতে পারে। জীবন যাপনের ক্ষেত্রেও রয়েছে ভিন্নতা। এখানে অবশ্য থাকা খাওয়া কিছুটা ব্যয়বহুল। এক রুমের এপার্টমেন্ট ভাড়া ১৬ থেকে ২০ হাজার টাকা। খেতে প্রতিদিন ১২ শত থেকে ২ হাজার টাকা লাগতে পারে। সে হিসেবে মাসিক খরচ আসে ৪৫ থেকে ৬০ হাজার টাকা।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ :</strong><br />
কানাডাতে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করার পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে কাজ করার জন্য আপনার ওয়ার্ক পারমিট লাগবে। তবে কানাডায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই কাজের সুযোগ আছে। সেক্ষেত্রে ওয়ার্ক পারমিটের প্রয়োজন হয় না। ওয়ার্ক পারমিটের ক্ষেত্রে আপনার ক্লাস টাইমে নিয়োগকর্তা আপনাকে ছেড়ে দিতে রাজি থাকলেই কেবল কর্তৃপক্ষ আপনার নামে ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু করবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয় হতে কোনো প্রকার সমস্যা হবে না। কাজের সুযোগ অনুযায়ি কাজ করতে পারলে এখানে থাকা খাওয়া পড়াশোনার খরচ মিটিয়ে আপনি বাড়িতেও টাকা পাঠাতে পারবেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>আবেদন, ভর্তি ও ভিসা প্রসেসিং :</strong><br />
কানাডায় পড়তে চাইলে আপনি কোন্ বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং কোন্ বিষয়ে ভর্তি হতে চান আগে সেটা পছন্দ করতে হবে। পূর্বে সে বিষয়ে পড়ার প্রয়োজনীয় যোগ্যতা আপনাকে জেনে সেটা অর্জন করতে হবে। এরপর আপনি আন্ডার গ্রাজুয়েটে ভর্তি হতে চাইলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর এবং পোস্ট গ্রাজুয়েট পর্যায়ে ভর্তি হতে চাইলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের ডিন বরাবর আবেদনপত্র পাঠাতে হবে। সাথে আপনার বিষয়ও তাদের অবহিত করবেন। এটা আপনাকে হাতে কিছুটা সময় রেখেই করতে হবে। ভিসা প্রসেসিং এর ক্ষেত্রে আপনার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা অফার লেটার, আর্থিক স্বচ্ছলতার কাগজপত্র এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বাংলাদেশের কানাডিয়ান দূতাবাসে দেখিয়ে ভিসা সংগ্রহ করতে হবে। তখন আপনার স্টাডি পারমিট লাগবে। স্টাডি পারমিট সংগ্রহ করতে ৭ থেকে ১৩ হাজার টাকা লাগবে। এরপর আপনি ভিজিটর ডিমান্ড কার্ড পেপার সংগ্রহ করে চলে যাবেন কানডায়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>স্কলারশিপ :</strong><br />
কানাডায় বড় অংকের টিউশন ফি দিয়ে পড়তে হলেও, স্কলারশিপের ব্যবস্থাও আছে। এজন্যে প্রথমে বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এরপর যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছেন বা হবেন সেখানকার Financial Aid office-এ যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়াও নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠান আছে যারা স্কলারশিপ দেয়। যেমন কানাডিয়ান হার্ট ফাউন্ডেশন, ম্যাকগিল ইউনিভার্সিটি, কমনওয়েলথ স্কলারশিপ ইত্যাদি।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>উল্লেখযোগ্য বিশ্ববিদ্যালয় :</strong><br />
- <a href="http://www.uottawa.ca" target="_blank">University of Ottawa</a><br />
- <a href="http://www.utorrento.ca" target="_blank">University of toronto</a><br />
- <a href="http://www.uvic.ca" target="_blank">University of Victoria</a><br />
- <a href="http://www.ualberta.ca" target="_blank">University of Alberta</a><br />
- <a href="http://www.trv.ca" target="_blank">Thompson Rivers University</a><br />
- <a href="http://www.uoguelph.ca " target="_blank">University of Guelph</a></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%89%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9a-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>নতুন বছরে নতুন পরিকল্পনা</title>
		<link>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 27 Jan 2010 14:34:38 +0000</pubDate>
		<dc:creator>কারেন্ট ইস্যু</dc:creator>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[পরিকল্পনা]]></category>
		<category><![CDATA[পড়াশুনা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.currentissuebd.com/?p=1794</guid>
		<description><![CDATA[ছাত্রনং অধ্যয়নং তপ: অধ্যয়নই ছাত্রদের তপস্যা বা প্রধান কাজ, এ পড়াশোনাকে নতুন বছরের শুরুতে, নতুন উদ্যমে, নতুনভাবে শুরু করুন। পড়াশোনা, ভালো রেজাল্ট ঠিক রেখে আপনার জীবনের মিশন আর ভিশনের পথেও অগ্রসর হতে পারেন। এসব কিছুর জন্য চাই একটা বাস্তব সম্মত পরিকল্পনা, তবেই একসাথে অনেক কাজ করা সম্ভব। বলা হয়ে থাকে ‘Plan is the half of done’ পরিকল্পনা কাজের অর্ধেক। ভালো পরিকল্পনা নিলেন তো কাজটা অর্ধেক হয়ে গেলো। বাকী কাজ বাস্তবায়ন নির্ভর। তবে বাস্তবায়নটা বছরের শুরু থেকেই করতে হবে। একজন শিক্ষার্থীর জীবনের গাইডলাইন হিসেবে নেয়ার মত কিছু পরিকল্পনা তুলে ধরছি।
সময় অপচয় ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><a href="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/study.jpg"><img class="alignleft size-full wp-image-1795" style="margin-left: 8px; margin-right: 8px;" title="study" src="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/study.jpg" alt="" width="128" height="77" /></a>ছাত্রনং অধ্যয়নং তপ: অধ্যয়নই ছাত্রদের তপস্যা বা প্রধান কাজ, এ পড়াশোনাকে নতুন বছরের শুরুতে, নতুন উদ্যমে, নতুনভাবে শুরু করুন। পড়াশোনা, ভালো রেজাল্ট ঠিক রেখে আপনার জীবনের মিশন আর ভিশনের পথেও অগ্রসর হতে পারেন। এসব কিছুর জন্য চাই একটা বাস্তব সম্মত পরিকল্পনা, তবেই একসাথে অনেক কাজ করা সম্ভব। বলা হয়ে থাকে ‘Plan is the half of done’ পরিকল্পনা কাজের অর্ধেক। ভালো পরিকল্পনা নিলেন তো কাজটা অর্ধেক হয়ে গেলো। বাকী কাজ বাস্তবায়ন নির্ভর। তবে বাস্তবায়নটা বছরের শুরু থেকেই করতে হবে। একজন শিক্ষার্থীর জীবনের গাইডলাইন হিসেবে নেয়ার মত কিছু পরিকল্পনা তুলে ধরছি।<span id="more-1794"></span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সময় অপচয় করবেন না :</strong><br />
সিদ্ধান্ত নিন, পরিকল্পনা করুন,- ‘সময়ের অপচয় করবো না’। এ সিদ্ধান্ত আর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করলেন তো আপনি শত ভাগ সফল। সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে শিখুন তাহলে আপনি স্বাভাবিক ভাবেই আপনার জীবনকে একটা পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবেন। পড়াশোনার ক্ষেত্রে সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে পড়াটা আজকে পড়া লাগবে তা কালকের জন্য রেখে দিবেন না। প্রত্যেকটি কাজের ক্ষেত্রেই এটি গুরুত্বপূর্ণ। সময়ের ব্যবহারে সচেতন হোন বছরের শুরু থেকেই। সময়কে মূল্য দিন। সময়ের কাজ সময়ে করুন।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সিলেবাস আগেই শেষ করুন :</strong><br />
আপনি যে স্তরের শিক্ষার্থীই হোন না কেন, আপনার পরীক্ষার আগেই সিলেবাস শেষ করে ফেলুন। নতুন বছর সেমিস্টার শুরু হওয়ার সময় পড়াশোনার চাপ অনেক কম থাকে। ফলে এসময়ে ইচ্ছে করলেই আপনি কাজের বাইরে সিলেবাসের বাকী অংশটুকু শেষ করে ফেলতে পারেন। এজন্যে বছরের শুরু থেকে প্রত্যেকটি দিনকে ভাবুন। পরীক্ষার আগের দিন পড়বো পড়বো বলে শুরু থেকে হেলায়-ফেলায় সময় না কাটিয়ে যত দ্রুত সম্ভব পরীক্ষার সিলেবাসটি শেষ করুন। মাধ্যমিক বা প্রাথমিক স্তরে যারা পড়ছ তারা সামনের পড়া পড়তে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে শিক্ষক, বড় ভাই, পরিবারের কারো সহায়তা নিতে পারো, এটি সবার জন্যই প্রযোজ্য।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ইংরেজির প্রতি গুরুত্ব দিন :</strong><br />
পৃথিবী এখন প্রতিযোগিতার । জীবনের প্রত্যেকটি ধাপেই চরম প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণ হতে হয় সবাইকে। এ প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণ হতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি কিন্তু ইংরেজি। আজকে ঢাকা শহরের প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষা বলেন, ইউনিভার্সিটি অ্যাডমিশন টেস্ট বলেন, চাকরির জন্য নিবন্ধন পরীক্ষা,  যে কোনো চাকরির পরীক্ষা, আর বিসিএসই বলেন সর্বক্ষেত্রে ইংরেজির আধিপত্য স্পষ্ট। ভালো ইংরেজি জানা ও বলা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য অতীব প্রয়োজন। এজন্য প্রাথমিক স্তর থেকেই ইংরেজিকে গুরুত্ব দিতে হবে। আপনার ইংরেজির ভিত্তিটা মজবুত হওয়ার জন্য চেষ্টাটা এখনই করতে হবে। এজন্যে প্রয়োজন অনুশীলন। ইংরেজিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রত্যেকদিন পড়ৃন। নতুন বছরে নতুনভাবে নিজেকে চিনুন।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>রেজাল্টকে প্রাধান্য দিন :</strong><br />
একটা ভালো রেজাল্টই জীবন। আপনার ভালো রেজাল্ট আপনাকে এনে দেবে জীবনের নতুন ধারা। পড়াশোনার মাপকাঠি যেহেতু শুধু রেজাল্ট তাই ভালো করার পরিকল্পনা করুন বছরের শুরু থেকেই। গেলো বছরে আপনার রেজাল্ট যা হয়েছে আগামীতে যাতে আপনি এর চেয়ে অনেক ভালো করতে পারেন সে চেষ্টা করুন। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে হলে ক্লাসে আপনার রোলটা ১ থেকে ৩ এর মধ্যে রাখুন। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা গোল্ডেন জিপিএ-৫ এর জন্য নেমে পড়ুন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়ারা ফার্স্টক্লাস আর গ্রেড হলে ৩.৫০ এর মধ্যে আপনার রেজাল্ট রাখুন। দেখবেন আপনার ভবিষ্যতে চাকরির জন্য খুব বেশি অস্থির হওয়া লাগবে না। এজন্য প্রয়োজন পড়া। পড়া আর পড়া। শুরু করুন বছরে শুরু থেকেই।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ক্যারিয়ার ও পড়াশোনা :</strong><br />
প্রত্যেক মানুষেরই অনেক বড় হওয়ার স্বপ্ন থাকে। স্বপ্ন দেখা ভালো। এ স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদিতে আপনি যে পর্যায়ে থাকুন তার প্রস্তুতি নিতে পারেন এখন থেকেই। যারা উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের নিচে আছো তাদের প্রথম টার্গেট ক্লাসে ফার্স্ট হওয়া, গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া। আর বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট বা মেডিকেলে ভর্তি হওয়া। এর পরবর্তী স্তরে আসে ক্যারিয়ারের কথা। বিশ্ববিদ্যালয়ে/অনার্সে/ডিগ্রিতে ভর্তি হয়েছেন, স্বপ্ন দেখছেন বিসিএস ক্যাডার হবেন। সেজন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন এখন থেকেই। প্রত্যেকদিন মূল পড়াশোনার পাশাপাশি একটা সময় রাখুন যখন বিসিএস এর পড়াশোনা করবেন। আপনার বিসিএস এর পড়াশোনা অনার্স প্রথম বর্ষ থেকে শুরু করলে আপনি নিশ্চিতভাবে হবেন বিসিএস ক্যাডার। সেজন্য সঠিক সিদ্ধান্ত বছরের শুরু থেকেই নেয়া জরুরি।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>জানার জন্য পড়া, মানার জন্য পড়া :</strong><br />
ভালো রেজাল্ট, সুন্দর ক্যারিয়ার ইত্যাদির হাতছানির জন্য পড়বো ঠিকই, তবে পড়ার প্রধান যে উদ্দেশ্য জানা, জ্ঞান আহরণ করা এবং সেটা বাস্তব জীবনে পালন করা, যেন আমাদের থাকে । তবেই আমাদের সকল পড়া সার্থক। গোটা পৃথিবী জ্ঞানের সমুদ্র, এ জ্ঞানসমুদ্র পাড়ি দেয়া কারো পক্ষে সম্ভব না হলেও আমাদের সুন্দরভাবে জীবন যাপনের জন্য হলেও পড়া দরকার। আমাদের জীবন বিধান ইসলাম (অন্যরা তাদের ধর্ম), আমাদের দেশ, জনগণ, ইতিহাস, রাজনীতি ইত্যাদি বিষয় জানতেই হবে। সেজন্যে মূল পড়াশোনার পাশাপাশি অতিরিক্ত পড়াশোনা দরকার। তার জন্য পরিকল্পনা নেন বছরের শুরু থেকেই। সেটা হবে জানার জন্য পড়া, মানার জন্য পড়া।</p>
<p style="text-align: justify;">শিক্ষার্থী হিসেবে এ বিষয়গুলো মাথায় রেখেই আপনার পড়াশোনার জন্যও নতুন বছরে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ক্রীড়া প্রবাহ ২০০৯</title>
		<link>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a7%9c%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a6%e0%a7%af/</link>
		<comments>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a7%9c%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a6%e0%a7%af/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 27 Jan 2010 14:28:39 +0000</pubDate>
		<dc:creator>কারেন্ট ইস্যু</dc:creator>
				<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>
		<category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
		<category><![CDATA[ফুটবল]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[রোনালদিনহো]]></category>
		<category><![CDATA[লিওনেল মেসি]]></category>
		<category><![CDATA[সাকিব আল হাসান]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.currentissuebd.com/?p=1790</guid>
		<description><![CDATA[
ফুটবল
ফ্লপ অব দ্য ইয়ার
জুভেন্টাসের ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ফিলিপ মেলো এ বছরের ফপ অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হয়েছেন। রাই ২ রেডিওর ক্যাটারস্পোর্ট প্রোগ্রামে শ্রোতাদের দেয়া ভোটে ফিলিপ মেলো এ খেতাব পান। এ খেতাব ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার রিভালডো ২০০৩ সালে এবং আদ্রিয়ানো ২০০৬ ও ২০০৭ পেয়েছিলেন ।  
ফিফা বর্ষসেরা’০৯
ফিফার পুরস্কার বিজয়ীরা
ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড় : লিওনেল মেসি
ফিফা বর্ষসেরা মহিলা খেলোয়াড় : মার্তা (টানা চতুর্থবার)
পুসকাস পুরস্কার (সেরা গোল) : ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
ফেয়ার  পে- পুরস্কার : ববি রবসন (ইংল্যান্ড)
প্রেসিডেন্সিয়াল পুরস্কার : জর্ডানের রানী রানিয়া আল আবদুল্লাহ
গত দশ বছরের ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার
২০০৯ : মেসি (আর্জেন্টিনা), বার্সেলোনা
২০০৮ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: center;"><a href="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/sports.jpg"><img class="size-medium wp-image-1791 aligncenter" title="sports" src="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/sports-300x85.jpg" alt="" width="300" height="85" /></a></p>
<p style="text-align: center;"><strong>ফুটবল</strong></p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ফ্লপ অব দ্য ইয়ার</strong><br />
জুভেন্টাসের ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ফিলিপ মেলো এ বছরের ফপ অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হয়েছেন। রাই ২ রেডিওর ক্যাটারস্পোর্ট প্রোগ্রামে শ্রোতাদের দেয়া ভোটে ফিলিপ মেলো এ খেতাব পান। এ খেতাব ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার রিভালডো ২০০৩ সালে এবং আদ্রিয়ানো ২০০৬ ও ২০০৭ পেয়েছিলেন ।  <span id="more-1790"></span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ফিফা বর্ষসেরা’০৯</strong></p>
<p style="text-align: justify;">ফিফার পুরস্কার বিজয়ীরা<br />
ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড় : লিওনেল মেসি<br />
ফিফা বর্ষসেরা মহিলা খেলোয়াড় : মার্তা (টানা চতুর্থবার)<br />
পুসকাস পুরস্কার (সেরা গোল) : ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো<br />
ফেয়ার  পে- পুরস্কার : ববি রবসন (ইংল্যান্ড)<br />
প্রেসিডেন্সিয়াল পুরস্কার : জর্ডানের রানী রানিয়া আল আবদুল্লাহ</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>গত দশ বছরের ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার</strong><br />
২০০৯ : মেসি (আর্জেন্টিনা), বার্সেলোনা<br />
২০০৮ :রোনালদো (পর্তুগাল), ম্যানইউ<br />
২০০৭ :কাকা (ব্রাজিল), এসি মিলান<br />
২০০৬ :ক্যানাভারো (ইতালি), রিয়াল মাদ্রিদ<br />
২০০৫ :রোনালদিনহো (ব্রজিল), বার্সেলোনা<br />
২০০৪ :রোনালদিনহো (ব্রাজিল), বার্সেলোনা<br />
২০০৩ :জিদান (ফ্রান্স), রিয়াল মাদ্রিদ<br />
২০০২ :রোনালদো (ব্রাজিল), রিয়াল মাদ্রিদ<br />
২০০১ :ফিগো (পর্তুগাল), রিয়াল মাদ্রিদ<br />
২০০০ :জিদান (ফ্রান্স), জুভেন্টাস</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ফিফা বিশ্ব একাদশ</strong></p>
<p style="text-align: justify;">গোলরক্ষক : আইকের ক্যাসিয়াস (স্পেন)।<br />
রক্ষণভাগ : ড্যানি আলভেস (ব্রাজিল), প্যাট্রিস ইভরা (সেনেগাল), জন টেরি (ইংল্যান্ড), নেমাঞ্জা ভিডিচ (যুগোস্লাভিয়া)।<br />
মাঝ মাঠ : স্টিভেন জেরার্ড (ইংল্যান্ড), জাভি হার্নান্দেজ (স্পেন), ইনিয়েস্থা ( স্পেন)।<br />
আক্রমণভাগ : লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা), ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল) ও ফার্নান্দো টোরেস (স্পেন)।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ব্যালন ডি’অর জয়ী প্রথম আর্জেন্টাইন</strong><br />
প্রথম আর্জেন্টাইন হিসাবে ব্যালন ডি’অর জয় করলেন বার্সেলোনা তারকা লিওনেল মেসি। এর আগে আরো দু’জন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন। ১৯৫৭ এবং ১৯৫৯ সালে আলফ্রেডো ডি স্টেফানো স্প্যানিশ জাতীয়তা নিয়ে এবং ১৯৬১ সালে ওমর সিভরি ইতালিয়ান জাতীয়তা নিয়ে ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন। মেসিই প্রথম আর্জেন্টিনার হয়ে ব্যালন ডি’অর জয় করলেন। ব্যালন ডি’অর পদকের প্রবর্তনকারী ‘ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিন’- এর পক্ষ হতে ১ ডিসেম্বর ২০০৯ সালের সেরা খেলোয়াড় হিসাবে লিওনেল মেসির নাম ঘোষণা করে। কাব ফুটবলের পারফর্মেন্সের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের ৯৬ জন ক্রীড়া সাংবাদিকের ভোটে প্রতিবছর ব্যালন ডি’অর বিজয়ীকে বেছে নেয়া হয়। উল্লেখ্য ১৯৫৬ সালে ব্যালন ডি’অর  (গোল্ডেন বল) পদকের প্রবর্তন করেন ফ&#8221;ান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের প্রধান লেখক গ্যাব্রিয়েল হ্যানট। প্রথম ব্যালন ডি’অর পদক জিতেন ইংলিস ফুটবলার স্ট্যানলি ম্যাথুস।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>এ বছর মেসির জেতা পুরস্কার</strong><br />
# উয়েফা বর্ষসেরা কাব স্ট্রাইকার ও ফুটবলার<br />
# এলএফপি সেরা স্ট্রাইকার ও ফুটবলার<br />
# আলফ্রেডো ডি স্টেফানো<br />
# প্রেমিও ডন ব্যালন<br />
# ব্যালন ডি’অর</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ব্যালন ডি’অর জয়ী সর্বশেষ পাঁচ</strong></p>
<p><!-- 		@page { margin: 0.79in } 		P { margin-bottom: 0.08in } --></p>
<table border="1" cellspacing="0" cellpadding="4" width="100%" bordercolor="#000000">
<col width="64*"></col>
<col width="64*"></col>
<col width="64*"></col>
<col width="64*"></col>
<tbody>
<tr valign="TOP">
<td width="25%"><strong><span style="font-family: DejaVu Sans;">সাল</span></strong></td>
<td width="25%"><strong><span style="font-family: DejaVu Sans;">খেলোয়াড় </span></strong></td>
<td width="25%"><strong><span style="font-family: DejaVu Sans;">দেশ </span></strong></td>
<td width="25%"><strong><span style="font-family: DejaVu Sans;">ক্লাব</span></strong></td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="25%">20090</td>
<td width="25%"><span style="font-family: DejaVu Sans;">লিওনেল মেসি </span></td>
<td width="25%"><span style="font-family: DejaVu Sans;">আর্জেন্টিনা </span></td>
<td width="25%"><span style="font-family: DejaVu Sans;">বার্সেলোনা</span></td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="25%">20080</td>
<td width="25%"><span style="font-family: DejaVu Sans;">ক্রিস্টিয়ানো 			রোনালদো </span></td>
<td width="25%"><span style="font-family: DejaVu Sans;">পর্তুগাল </span></td>
<td width="25%"><span style="font-family: DejaVu Sans;">ম্যানচেস্টার 			ইউ</span>.</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="25%">20070</td>
<td width="25%"><span style="font-family: DejaVu Sans;">কাকা </span></td>
<td width="25%"><span style="font-family: DejaVu Sans;">ব্রাজিল </span></td>
<td width="25%"><span style="font-family: DejaVu Sans;">এসি মিলান</span></td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="25%">20060</td>
<td width="25%"><span style="font-family: DejaVu Sans;">ফ্যাবিও ক্যানাভেরা </span></td>
<td width="25%"><span style="font-family: DejaVu Sans;">ইটালি </span></td>
<td width="25%"><span style="font-family: DejaVu Sans;">রিয়াল মাদ্রিদ</span></td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="25%">20050</td>
<td width="25%"><span style="font-family: DejaVu Sans;">রোনালদিনহো </span></td>
<td width="25%"><span style="font-family: DejaVu Sans;">ব্রাজিল </span></td>
<td width="25%"><span style="font-family: DejaVu Sans;">বার্সেলোনা </span></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p style="text-align: justify;"><strong>ফিফা বিচ ওয়ার্ল্ডকাপ’০৯</strong><br />
চ্যাম্পিয়ন : ব্রাজিল<br />
রানারআপ : সুইজারল্যান্ড<br />
৩য় স্থান : পর্তুগাল<br />
গোল্ডেন বল : ডেজান স্টেংকোভিস (সুইজারল্যান্ড)<br />
গোল্ডেন বুট :  ডেজান স্টেংকোভিস (সুইজারল্যান্ড)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বিশ্বক্লাব বিশ্বকাপ’০৯</strong><br />
স্বাগতিক দেশ : সংযুক্ত আরব আমিরাত<br />
চ্যাম্পিয়ন : বার্সেলোনা<br />
রানারআপ : এস্টুডিয়ান্তেস<br />
৩য় স্থান : পোহাং স্টিলারস<br />
সর্বোচ্চ গোল : ডেনিলসন<br />
সেরা খেলোয়াড় (গোল্ডেন বল) : লিওনেল মেসি</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বঙ্গবন্ধু সাফ ফুটবল’০৯</strong></p>
<p style="text-align: justify;">চ্যাম্পিয়ন: ভারত<br />
রানার্সআপ: মালদ্বীপ<br />
সেরা খেলোয়াড়: আশফাক (মালদ্বীপ) ও অরিন্দম (ভারত)<br />
ফেয়ার প্লে ট্রফি : বাংলাদেশ<br />
টূর্নামেন্টের নাম: ১৯৯৩ সালে ‘সার্ক গোল্ড কাপ’ ১৯৯৫ সালে ‘সাউথ এশিয়ান গোল্ড কাপ’, ১৯৯৭ সালে ‘সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন গোল্ডকাপ/চ্যাম্পিয়নশিপ’, ২০০৯ সালে ‘বঙ্গবন্ধু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ’</p>
<p style="text-align: justify;">রোল অব অনার<br />
সন	স্বাগতিক দেশ	চ্যাম্পিয়ন	রানার্সআপ<br />
১৯৯৩	পাকিস্তান	ভারত	শ্রীলংকা<br />
১৯৯৫	শ্রীলংকা	শ্রীলংকা	ভারত<br />
১৯৯৭	নেপাল	ভারত	মালদ্বীপ<br />
১৯৯৯	ভারত	ভারত	বাংলাদেশ<br />
২০০৩	বাংলাদেশ	বাংলাদেশ	মালদ্বীপ<br />
২০০৫	পাকিস্তান	ভারত	বাংলাদেশ<br />
২০০৮	মালদ্বীপ-শ্রীলংকা	মালদ্বীপ	ভারত<br />
২০০৯	বাংলাদেশ	ভারত	মালদ্বীপ</p>
<p style="text-align: center;"><strong>ক্রিকেট</strong></p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ভারত-শ্রীলংকা সিরিজ</strong><br />
টেস্ট: আহমেদাবাদে ১ম টেস্ট ড্র। এ ম্যাচে শ্রীলংকা এক ইনিংসে ভারতের মাটিতে সর্বোচ্চ ৭৬০ রান তোলে। ২য় টেস্টে ইনিংস ও ১৪৪ রানে এবং ৩য় টেস্টে ইনিংস ২৪ রানে জয়ের মাধ্যমে ভারত প্রথমবারের মত টেস্টে র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠে। উল্লেখ্য ২০০১ সালে প্রথমবারের মত আইসিসি টেস্টে র‌্যাংকিং প্রথা চালু করে।</p>
<p style="text-align: justify;">টি/২০ :১ম ম্যাচে শ্রীলংকা ২৯ রানে জয়ী। ম্যাচ সেরা কুমার সাঙ্গাকারা। ২য় ম্যাচে মোহালিতে টি/২০’র ইতিহাসে সর্বাধিক রান ২০৭ তাড়া করে জয়ের রেকর্ড করে সমতায় ফেরে ভারত। ম্যান অব দ্য ম্যাচ যুবরাজ।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>অস্ট্রেলিয়া-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট সিরিজ</strong><br />
১ম টেস্টে অস্ট্রেলিয়া জয়ী। ২য় টেস্ট ড্র। ৩য় টেস্টে অস্ট্রেলিয়া ৩৫ রানে জয়ী হলে তারা সিরিজ জেতে ২-০ ব্যবধানে। ম্যান অব দ্য ম্যাচ ও সিরিজ ক্রিস গেইল।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ<br />
চ্যাম্পিয়ন : মোহামেডান<br />
রানারআপ : বিমান<br />
৩য় স্থান : আবাহনী<br />
ম্যান অব দ্য ফাইনাল : রানা নাভেদ<br />
রোল অব অনার<br />
সাল	চ্যাম্পিয়ন	রানারআপ<br />
২০০৯-১০	মোহামেডান	বিমান<br />
২০০৮-০৯	আবাহনী	সূর্যতরুণ<br />
২০০৭-০৮	আবাহনী	বিমান<br />
২০০৬-০৭	আবাহনী	 	মোহামেডান<br />
২০০৫-০৬	ডিওএইচএস	সোনারগাঁ ক্রিকেটারস</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ সাকিব ও রাজীব</strong></p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি ২০০৮ ও ২০০৯ সালের সেরা ক্রীড়াবিদ, বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ, উদীয়মান ও খেলোয়াড়, ক্রীড়া সংগঠক, পৃষ্ঠপোষক, প্রশিক, সংস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি এই প্রথম বিভিন্ন খেলাধুলায় অংশগ্রহণকারী সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">২০০৮ সাল : ওয়ালী ফয়সাল (ফুটবল), তামিম ইকবাল (ক্রিকেট), মামুনুর রহমান চয়ন (হকি), মাহবুব আনাম (সংগঠক), বশির আহমেদ (আজীবন সম্মাননা), সিটিসেল (পৃষ্ঠপোষক), বাংলাদেশ আনসার (সক্রিয় সংস্থা), বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ (এসএ মহসিন ট্রফি), এনামুল হোসেন রাজীব (দাবা)।<br />
২০০৯ সাল : কাজী মোঃ সালাউদ্দিন (সংগঠক), রানী হামিদ (আজীবন সম্মাননা), ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড (পৃষ্ঠপোষক), উদীয়মান ক্রীড়াবিদ ইমদাদুল হক মিলন (আরচারি), মারুফুল হক ( কোচ), ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঢাকা ( সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান), বাংলাদেশ সেনাবাহিনী (সক্রিয় সংস্থা), বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ (এসএ মহসিন ট্রফি), সাকিব আল হাসান (ক্রিকেট)।</p>
<p style="text-align: center;"><strong>হকি</strong></p>
<p style="text-align: justify;">চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি<br />
স্বাগতিক দেশ : অস্ট্রেলিয়া<br />
চ্যাম্পিয়ান : অস্ট্রেলিয়া<br />
রানারআপ : জার্মানি<br />
৩য় স্থান : নেদারল্যান্ড</p>
<p style="text-align: justify;">ইয়াং প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার<br />
২০০৯ : অ্যাশলে জ্যাকসন<br />
২০০৮ : ইডি অকেডেন, ২০০৭ : মার্ক নোলেস</p>
<p style="text-align: center;"><strong>অন্যরকম : ১৩২ বছরের টেস্ট ইতিহাস বদল</strong></p>
<p style="text-align: justify;">মুম্বাইয়ে ভারত-শ্রীলঙ্কা টেস্ট অনেক কারণেই স্মরণীয় হয়ে থাকবে । ৩৬ বছর পর ব্র্যাবোর্নে টেস্ট ম্যাচ, বীরেন্দর শেবাগের আরেকটি অতিমানবীয় ইনিংস (২৯৩), সিরিজ জিতে ভারতের এক নম্বরে উঠে যাওয়া এসব কারণ তো আছেই। আরেকটি কারণ শ্রীলঙ্কার অনন্য কীর্তি, কিংবা ভারতেরও। ১৩২ বছরের টেস্ট ইতিহাসে এটাই একমাত্র টেস্ট,  যেখানে দুই ইনিংস মিলিয়ে সাতশ’র বেশি রান করেও ইনিংসে হেরেছে কোনো দল। এই ‘গৌরব’ অর্জন করেছে শ্রীলঙ্কা, আর করিয়েছে ভারত। দুই ইনিংসে শ্রীলঙ্কা করেছিল ৩৯৩ ও ৩০৯, ভারত এক ইনিংসেই ৭২৬। তবে ইনিংসে না হলেও সাত শর বেশি রান করে টেস্ট হারার ঘটনা আছে আরও ২৪টি! সবচেয়ে বেশি ৮৬১ রান করে হেরেছে ইংল্যান্ড, ১৯৪৮ সালে হেডিংলিতে। চতুর্থ ইনিংসে জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন ছিল ৪০৪, স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের ‘দ্য ইনভিন্সিবল’ দল সেটা করে ফেলেছিল মাত্র ৩ উইকেট হারিয়েই।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a7%9c%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a6%e0%a7%af/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৫তম সমাবর্তন</title>
		<link>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%aa%e0%a7%ab%e0%a6%a4/</link>
		<comments>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%aa%e0%a7%ab%e0%a6%a4/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 27 Jan 2010 14:20:30 +0000</pubDate>
		<dc:creator>কারেন্ট ইস্যু</dc:creator>
				<category><![CDATA[শিক্ষা ও ক্যারিয়ার]]></category>
		<category><![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]></category>
		<category><![CDATA[সমাবর্তন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.currentissuebd.com/?p=1787</guid>
		<description><![CDATA[দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে উন্নত ও মর্যাদাশীল দেশ গড়ায় তথ্য-প্রযুক্তি ও জীব-প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় পুরোপুরি স¤পৃক্ত হতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. জিল্লুর রহমান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৫তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা আর উৎসবমুখর পরিবেশে গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্ববৃহৎ এবং ৪৫তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রিয় খেলার মাঠে ১১টা ৫৩ মিনিটে ৪৫তম সমাবর্তনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. জিল্লুর রহমান। ‘সমাবর্তন বক্তা’ নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. ইউয়ান টি লি বৈশ্বয়িক ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/education.jpg"><img class="alignleft size-full wp-image-1788" style="margin-left: 8px; margin-right: 8px;" title="education" src="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/education.jpg" alt="" width="280" height="200" /></a>দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে উন্নত ও মর্যাদাশীল দেশ গড়ায় তথ্য-প্রযুক্তি ও জীব-প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় পুরোপুরি স¤পৃক্ত হতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. জিল্লুর রহমান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৫তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা আর উৎসবমুখর পরিবেশে গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্ববৃহৎ এবং ৪৫তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রিয় খেলার মাঠে ১১টা ৫৩ মিনিটে ৪৫তম সমাবর্তনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. জিল্লুর রহমান। ‘সমাবর্তন বক্তা’ নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. ইউয়ান টি লি বৈশ্বয়িক সমস্যা সমাধানে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত এ সমাবর্তনে ৯ হাজার ৫৮ জন অনার্স, মাস্টার্স, এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রিধারীকে সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিশিষ্ঠজনসহ ১২ সহস্রাধিক লোক সমাবর্তনে অংশ নেন।<span id="more-1787"></span></p>
<p><strong>সমাবর্তন : পিছনে ফিরে দেখা</strong><br />
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর ১৯২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ১৯২৪ সাল থেকে ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত প্রতিবছরই (২৪ বার) সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। ব্রিটিশ আমলের শেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪৬ সালের ২১ নভেম্বর। পাকিস্তান আমলে ১৫ বার সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ এবং শেষবার সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালের ৮ মার্চ।</p>
<p>বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর। এরপর ২০০১, ২০০৪, ২০০৭ ও ২০০৮ সালে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>এবার সম্মানসূচক ডিগ্রি পেলেন যারা</strong><br />
এবারের সমাবর্তনে বক্তব্য দেন ১৯৮৬ সালে রসায়নে নোবেল বিজয়ী ইমেরিটাস অধ্যাপক ইউয়ান টি লি। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টর অব সায়েন্স ডিগ্রি দেওয়া হয়। তিনি তাইওয়ানের তাইপের জেনোমিক রিসার্স সেন্টারের ইনস্টিটিউট অব অ্যাটোমিক অ্যান্ড মলিকুলার সায়েন্সের একাডেমিয়া সিনিকার প্রেসিডেন্ট। এছাড়া সমাবর্তনে আরও দুজন বিশ্বখ্যাত অধ্যাপককে সম্মানসূচক ডিগ্রি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সাবেক ছাত্র অধ্যাপক আবুল হুস্সামকে ‘সনো ফিল্টার’ উদ্ভাবনের জন্য সম্মানসূচক ডক্টর অব সায়েন্স এবং ভারতবর্ষের ইতিহাস চর্চার নতুন ধারার প্রবর্তক অধ্যাপক রণজিৎ গুহকে ডক্টর অব লিটারেচার ডিগ্রি প্রদান করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>এ পর্যন্ত ডিগ্রি পেলেন যারা :</strong> ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর এ পর্যন্ত ৮৮ বছরে ৪৫টি নিয়মিত এবং বিশেষ সমাবর্তনে ৪৩ ব্যাক্তিকে তাদের স্ব-স্ব ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এদের মধ্যে ২১ জনকে ডক্টর অব লজ, ১২ জনকে ডক্টর অব সায়েন্স এবং ১০ জনকে ডক্টর অব লিটারেচার প্রদান করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">* ডক্টর অব লিটারেচার পেলেন যারা : মহামহপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (১৯২৭), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্যার মোহাম্মদ ইকবাল, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং স্যার যদুনাথ সরকার (১৯৩৬), মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, কাজী নজরুল ইসলাম, উস্তাদ আলী আকবর খাঁন এবং আবুল ফজল (১৯৭৪) এবং রণজিৎ গুহ (২০০৯)।</p>
<p style="text-align: justify;">* ডক্টর অব সায়েন্স পেলেন যারা : স্যার চন্দ্র শেখর ভেংকট রমন (১৯৩২), স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু এবং স্যার প্রফুল্ল চন্দ্র রায় (১৯৩৬),  সত্যেন্দ্র নাথ বোস, হীরালাল দে, মোহাম্মদ কুদরত-ই-খুদা এবং কাজী মোতাহার হোসেইন (১৯৭৪), আব্দুস সালাম (১৯৯৩), ফেডেরিকো মেয়র (১৯৯৭), নোবেল বিজয়ী অমার্ত্য সেন (১৯৯৯) এবং নোবেল বিজয়ী ইউয়ান টি লি এবং আবুল হুস্সাম (২০০৯)।</p>
<p style="text-align: justify;">* ডক্টর অব লজ পেলেন যারা : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম চ্যান্সেলর রোনাল্ডশে জিসিআই (১৯২২), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর স্যার ফিলিপ জোসেপ হার্টস (১৯২৫), লর্ড লিটন (১৯২৭), স্যার ফ্রাঙ্কিস স্ট্যানলি জ্যাকসন (১৯৩২), স্যার জন অ্যান্ডারসন এবং স্যার আব্দুর রহিম (১৯৩৬), স্যার এ.এফ. রহমান (১৯৩৭), খাঁজা নাজিমুদ্দীন (১৯৪৯), স্যার মোহাম্মদ শাহ আগা খাঁন (১৯৫১), আব্দুল ওয়াহাব আযম (১৯৫২), এ.কে.ফজলুল হক, সাং চিং লিং, চু ইন লি এবং মেজর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা (১৯৫৬), ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খাঁন এবং জামাল আব্দুল নাসের (১৯৬০), শেখ হাসিনা (১৯৯৯), মাহাথির বিন মোহাম্মদ (২০০৪), মুহাম্মদ ইউনুস (২০০৭), এবং ভাষা সৈনিক আ ন ম গাজীউল হক ও আব্দুল মতিন (২০০৮)।<br />
উল্লেখ্য : পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করা হয় ১৪৭০ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লিওনেল উডবিলিকে।</p>
<p style="text-align: justify;">৩৫ মেধাবীকে ৪৬টি স্বর্ণপ্রদক প্রদান : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এবারের ৪৫তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ৩৫ মেধাবী ছাত্রকে ৪৬টি স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। এককভাবে ৪টি স্বর্ণপদক লাভ করেন দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী তাহমিনা ইয়াসমিন শোভা। আইন বিভাগের শিক্ষার্থী তানজিম আফরোজ লাভ করেন ৩টি স্বর্ণপদক। কাজী শোহাইবুর রহমান, মীর নাহিদ মাহমুদ, সায়েইদা নুজহাত-ই-ইবরাত ও রনি হাসিনুর রহমান ২টি করে স্বর্ণপদক লাভ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">* কলা অনুষদ থেকে ১২ জন মেধাবীকে দেওয়া হয় ১৭টি স্বর্ণপদক। * বিজ্ঞান অনুষদ থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছেন ৩ জন। * আইন অনুষদ ও বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ থেকে ১ জন করে স্বর্ণপদক পেয়েছেন। * সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ থেকে ৯ জন পেয়েছেন ১২টি স্বর্ণপদক। * জীববিজ্ঞান অনুষদ থেকে পেয়েছেন ২জন। * ফার্মেসি অনুষদ ও চিকিৎসা অনুষদ থেকে ১ জন করে স্বর্ণপদক পেয়েছেন। * প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ থেকে পেয়েছেন ২ জন। * পরিসংখ্যান গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট থেকে ১ জন এবং সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে ২ জন স্বর্ণপদক লাভ করেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%aa%e0%a7%ab%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>দেশ পরিচিতি: ফ্রান্স</title>
		<link>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8/</link>
		<comments>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 27 Jan 2010 14:13:30 +0000</pubDate>
		<dc:creator>কারেন্ট ইস্যু</dc:creator>
				<category><![CDATA[পরিচিতি]]></category>
		<category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রান্স]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.currentissuebd.com/?p=1784</guid>
		<description><![CDATA[ফ্রান্স ইউরোপের একটি সমৃদ্ধশালী দেশ। France শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Francia থেকে এসেছে। এর অর্থ Land of Franks বা ফ্রাংকদের ভূমি। ফ্রান্স হল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন কৃষি খামার ও ছোট ছোট শহরের দেশ। ১৭৮৯ সালে দেশটিতে একটি বিখ্যাত বিপ্লব সংগঠিত হয়েছিল। ইতিহাসে এটি ফরাসী বিপ্লব নামে পরিচিত। দেশটির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরেছেন মোঃ মাহবুবুর রহমান।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস :
সুপ্রাচীন সভ্যতার দেশ ফ্রান্স। রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার আনুমানিক ৫৭-৫২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ফ্রান্স (গল) দখল করেন। খ্রিস্টিয় পঞ্চম শতাব্দী পর্যন্ত ফ্রান্স রোমান সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ৭৩২ খ্রিস্টাব্দে চার্লস মারটেন গল (ফ্রান্স) এলাকা আরবদের আক্রমণ থেকে রক্ষা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><a href="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/country2.jpg"><img class="alignleft size-full wp-image-1785" style="margin-left: 8px; margin-right: 8px;" title="country2" src="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/country2.jpg" alt="" width="250" height="167" /></a>ফ্রান্স ইউরোপের একটি সমৃদ্ধশালী দেশ। France শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Francia থেকে এসেছে। এর অর্থ Land of Franks বা ফ্রাংকদের ভূমি। ফ্রান্স হল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন কৃষি খামার ও ছোট ছোট শহরের দেশ। ১৭৮৯ সালে দেশটিতে একটি বিখ্যাত বিপ্লব সংগঠিত হয়েছিল। ইতিহাসে এটি ফরাসী বিপ্লব নামে পরিচিত। দেশটির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরেছেন মোঃ মাহবুবুর রহমান।<span id="more-1784"></span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সংক্ষিপ্ত ইতিহাস :</strong><br />
সুপ্রাচীন সভ্যতার দেশ ফ্রান্স। রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার আনুমানিক ৫৭-৫২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ফ্রান্স (গল) দখল করেন। খ্রিস্টিয় পঞ্চম শতাব্দী পর্যন্ত ফ্রান্স রোমান সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ৭৩২ খ্রিস্টাব্দে চার্লস মারটেন গল (ফ্রান্স) এলাকা আরবদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করেন। অতঃপর শার্লামেন এই এলাকায় শান্তি সুপ্রতিষ্ঠিত করে নব সংস্কৃতির যুগের সূচনা করেন। ৮৪৩ খ্রিস্টাব্দে ভারদান ও ৮৭০ খ্রিস্টাব্দে মেরসেন সন্ধির ফলে ফ্রান্স একটি পৃথক রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। ৯৮৭ খ্রিস্টাব্দে ফ্রান্সে ক্যাপীশ্যানদের রাজত্ব শুরু হয়। ১৩৩৭ খ্রিস্টাব্দে ফ্রান্স ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শতবর্ষব্যাপী (১৩৩৭-১৪৫৩ ্িরখ্র:) যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এই যুদ্ধের ফলে ফ্রান্সের গৌরব ও জাতীয় অস্তিত্ত্ব বিপন্ন হয়ে পড়ে। তথাপিও ষোড়শ ও সপ্তদশ শতকে সভ্যতা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে ফ্রান্স অনেক দূর এগিয়ে যায়। ১৭৮৯ সালে ফরাসী বিপ্লব রাজতন্ত্রের অবসান ঘটায়। ১৭৯৩ সালে ফ্রান্সে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তা ১৮০৪ পর্যন্ত ছিল। ১৮০৪ সালে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ক্ষমতায় আসেন এবং  রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। নেপোলিয়নের যুগ ছিল ফ্রান্সের ¯¦র্ণযুগ। ঐ সময় জার্মানি, ইতালি, স্পেনসহ ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের বিশাল অংশ ফ্রান্সের অধিকারভুক্ত হয়। ১৮১৫ সালে ভিয়েনা কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ি নেপোলিয়নের অধিকৃত সব এলাকা স্বাধীন হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্ব পর্যন্ত ফ্রান্স বিশ্বের শীর্ষ শক্তিরুপে স্বীকৃত ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির আক্রমণে ফ্রান্স পর্যুদস্ত ও সাময়িকভাবে জার্মানির অধিকারভুক্ত হয়। জার্মানির পরাজয়ের পর ফ্রান্স স্বাধীন হয়। ফ্রান্সের উপনিবেশগুলোও স্বাধীনতা পেতে থাকে। বর্তমানে ফ্রেঞ্জ গায়না, গুয়ান্ডেলোপ, মার্টিনিক, রিইউনিয়ন, মেয়টি, নিউ ক্যালেডোনিয়াসহ কয়েকটি ছোট উপনিবেশ ফ্রান্সের অধিকারে আছে।<br />
ফ্রান্স ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৯৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ফ্রান্স মুরুরোয়াতে একটি পরীক্ষামূলক পারমাণবিক বিষ্ফোরণের মাধ্যমে পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৯৭ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে বামপন্থী জোট জয় লাভ করে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ভৌগোলিক অবস্থান ও আয়তন :</strong><br />
দেশেটির আযতন ৬,৭৪,৮৪৩ বর্গ কি.মি. (২,৬০,৫৫৮ বর্গ মাইল)। দেশটির উত্তরে ইংলিশ চ্যানেল, উত্তর-পূর্বে বেলজিয়াম ও লুক্সেমবার্গ, পূর্বে জার্মানি, সুইজারল্যান্ড ও ইতালি, দক্ষিণে ভূ-মধ্যসাগর ও মোনাকো, দক্ষিণ-পশ্চিমে স্পেন ও অ্যান্ডোরা এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর। ভূ-মধ্যসাগরের দ্বীপ কর্সিকা ফ্রান্সের ভৌগোলিক সীমানার অন্তর্গত।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>জলবায়ু :</strong><br />
ফ্রান্সের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল নমনীয় সামুদ্রিক জলবায়ুর অন্তর্গত। এ অংশে তাপমাত্রার পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। দেশে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হয় এবং বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। দক্ষিণাঞ্চলে ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রভাব সুস্পষ্ট। এখানে শীতকাল সামান্য আর্দ্র এবং গ্রীষ্মকাল উষ্ণ ও শুষ্ক থাকে। পূর্বাঞ্চলে মহাদেশীয় জলবায়ু বিরাজমান। এ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টি ও ঝড়ের প্রকোপ বেশি। বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৭৮৬ মিলিমিটার (৩১ ইঞ্চি প্রায়) গড় তাপমাত্রা জানুয়ারিতে ৩ ডিগ্রি ও জুলাইয়ে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>জনসংখ্যা ও ভাষা :</strong><br />
দেশটির মোট জনসংখ্যা ৬ কোটি ৬৫ লক্ষ ৬ হাজার ১৭৮ জন। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ০.৪ শতাংশ। অধিবাসীরা ফ্রেঞ্চম্যান নামে পরিচিত। অধিবাসীদের মধ্যে ফেলটিক এবং ল্যাটিন অরিজিন শতকরা ৯১ ভাগ। বাকিরা হল ব্রিটন, ক্যাটালান, পর্তুগীজ, আলজেরিয়ান এবং আরব সংখ্যালঘু। রাজধানী প্যারিস ফ্রান্সের প্রধান শহর, যা সিন নদীর তীরে অবস্থিত। ১০৫ বর্গ কি.মি. নিয়ে গঠিত এই শহরের লোকসংখ্যা ২২ লক্ষ। দেশটির প্রতিবর্গ কিলোমিটারে ২৯৭ জন লোক বাস করে। জন্মহার প্রতি হাজারে ১৩ জন। মৃত্যুহার প্রতি হাজারে ৯ জন। শিশু মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ৪.৮ জন। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ০.৩%। গড় আয়ু ৭৮ বছর। দেশটির রাষ্ট্রভাষা ফ্রেঞ্চ। এর সাথে ব্রেটন, অসিটান, অ্যালসাসিয়ান ভাষাও প্রচলিত।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>অর্থনীতি :</strong><br />
ফ্রান্সের মুদ্রার নাম ইউরো। ১০০ সেন্টে এক ইউরো। ফ্রান্সে বিশ্বের অন্যতম সর্বাধিক উন্নত অর্থনীতি বিদ্যমান। যেমন কৃষিতে উন্নত, খাদ্যে স্বনির্ভর তেমন শিল্পেও সমৃদ্ধ। শিল্প খাত থেকে আসে ২৬.২ শতাংশ। উল্লেখযোগ্য হচ্ছে গম, রাই, বার্লি, আলু, সুগার, বীট ও ভুট্টা। দেশের ৬০ ভাগ জমি আবাদযোগ্য। গম উৎপাদনে দেশটি পৃথিবীর পাঁচটি দেশের অন্যতম। দেশজ উৎপদনের ২.৩ শতাংশ আসে কৃষি থেকে। দেশের প্রধান রপ্তানি দ্রব্য হল উচ্চমানের মদ ও বিলাস দ্রব্যাদি। ফ্রান্সের প্রধান খনিজ সম্পদ হচ্ছে কয়লা, লৌহ আকরিক, পেট্রোলিয়াম, বক্সাইট, পটাশ ও সল্ট প্রভৃতি। ফ্রান্সের মোট জাতীয় উৎপাদন (এ.ঘ.চ) ২৪,৯০০ ডলার। গড় বৃদ্ধি ১.২ শতাংশ। মাথাপিছু প্রকৃত দেশজ উৎপাদন (চ.চ.চ) ২১,১৭৫ ডলার। দেশজ উৎপাদন (এ.উ.চ) ১,৪২,৭০০ কোটি ডলার। দেশটির শিক্ষা খাতে সরকারি ব্যয় ৬.০ শতাংশ, সামরিক খাতে ২.৮ শতাংশ এবং স্বাস্থ্য খাতে ৭.১ শতাংশ ব্যয় করে থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সংবিধান ও সরকার :</strong><br />
১৯৫৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জেনারেল ডি গল পঞ্চম রিপাবলিক গঠন করেন। প্রেসিডেন্ট সরাসরি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হওয়ার জন্য ১৯৬২ সালে তা সংশোধন হয়। প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রপ্রধান ও মুখ্য প্রশাসক। তাঁকে সহায়তা করেন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা।</p>
<p style="text-align: justify;">দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা হল পার্লামেন্ট। উচ্চকক্ষ সিনেট ও নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি বা জাতীয় পরিষদের সদস্যরা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন। কিন্তু সিনেট সদস্যরা পরোক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে থাকেন।</p>
<p style="text-align: justify;">উচ্চকক্ষ সিনেটের সদস্য সংখ্যা ৩২১ আর নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সদস্য সংখ্যা ৫৭৭ জন। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সদস্যরা ৫ বছরের নির্বাচিত হন। আর সিনেটের সদস্যরা নির্বাচিত হন ৯ বছরের জন্য। তবে সিনেট সদস্যদের এক তৃতীয়াংশ প্রতি তিন বছর অন্তর নির্বাচিত হন। প্রধান রাজনৈতিক দল র‌্যালি ফর দি রিপাবলিক (আর.পি.আর), ইউনিয়ন ফর ফ্রেঞ্চ ডেমোক্রেসি (ইউ.ডি.এফ), রিপাবলিকান পার্টি (পি.আর), কমিউনিস্ট পার্টি। দেশের জনগণ ১৮ বছর বয়সে ভোটধিকার প্রয়োগ করতে পারে। দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সার্কোজি। প্রধানমন্ত্রী হলেন ফ্রাংকুইস ফিলন।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ধর্ম :</strong><br />
দেশের অধিকাংশ অধিবাসী খ্রিস্টান। এদের মধ্যে ৯০ ভাগ রোমান-ক্যাথলিক, ৩ ভাগ প্রোটেস্ট্যান্ট, ৪ শতাংশ মুসলমান, বৌদ্ধ ১ শতাংশ, ইহুদি ১ শতাংশ ও অন্যান্য ১ শতাংশ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন ২০০৯</title>
		<link>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%81-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a6/</link>
		<comments>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%81-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a6/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 27 Jan 2010 13:59:19 +0000</pubDate>
		<dc:creator>কারেন্ট ইস্যু</dc:creator>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[কোপেনহেগেন]]></category>
		<category><![CDATA[ক্লাইমেট]]></category>
		<category><![CDATA[জলবায়ু]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.currentissuebd.com/?p=1778</guid>
		<description><![CDATA[নানা বিতর্ক জটিলতা আর অচলাবস্থা শেষে জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সম্মেলনে ‘কোপেনহেগেন অঙ্গীকারনামা’ (কোপেনহেগেন অ্যাকর্ড) উত্থাপন করে। ৭ ডিসেম্বর শুরু হওয়া জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সম্মেলনে অংশ নেওয়া ১৯৩ দেশের মধ্যে ১৮৯টি দেশ এই অঙ্গীকারনামাকে একটি নোট হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তিন পৃষ্ঠার অঙ্গীকারনামার ১২টি শর্ত বাংলাদেশ অনুমোদন দিয়েছে।
সম্মেলনে তিন দিনের অচলাবস্থা চলার পর থেকে ডেনমার্ক, যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশসহ ২৫টি দেশ মিলে কোপেনহেগেন অঙ্গীকারনামার খসড়া তৈরি করে। বাংলাদেশ সময় ১৯ ডিসেম্বর সম্মেলনের নীতিনির্ধারণী পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে উত্থাপন করা হয়। চারটি ছাড়া বাকি সব দেশ তাৎক্ষণিকভাবে তা অনুমোদন করে।
সুদান, বলিভিয়া, নিকারাগুয়া, ব্রাজিল ও কিউবা এই অঙ্গীকারনামায় ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><a href="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/climate.jpg"><img class="alignleft size-full wp-image-1779" title="climate" src="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/climate.jpg" alt="" width="225" height="300" /></a>নানা বিতর্ক জটিলতা আর অচলাবস্থা শেষে জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সম্মেলনে ‘কোপেনহেগেন অঙ্গীকারনামা’ (কোপেনহেগেন অ্যাকর্ড) উত্থাপন করে। ৭ ডিসেম্বর শুরু হওয়া জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সম্মেলনে অংশ নেওয়া ১৯৩ দেশের মধ্যে ১৮৯টি দেশ এই অঙ্গীকারনামাকে একটি নোট হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তিন পৃষ্ঠার অঙ্গীকারনামার ১২টি শর্ত বাংলাদেশ অনুমোদন দিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সম্মেলনে তিন দিনের অচলাবস্থা চলার পর থেকে ডেনমার্ক, যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশসহ ২৫টি দেশ মিলে কোপেনহেগেন অঙ্গীকারনামার খসড়া তৈরি করে। বাংলাদেশ সময় ১৯ ডিসেম্বর সম্মেলনের নীতিনির্ধারণী পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে উত্থাপন করা হয়। চারটি ছাড়া বাকি সব দেশ তাৎক্ষণিকভাবে তা অনুমোদন করে।<span id="more-1778"></span></p>
<p style="text-align: justify;">সুদান, বলিভিয়া, নিকারাগুয়া, ব্রাজিল ও কিউবা এই অঙ্গীকারনামায় সই না করায় এখনো তা চুক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না। সবার সম্মতি পেলেই এটি একটি আইনগত বাধ্যবাধকতাসহ চুক্তি হিসেবে অনুমোদন পাবে। ইউএনএফসিসি আগামী এক বছর অঙ্গীকারনামার খুঁটিনাটি বিষয়ে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে আলোচনার পর তা চূড়ান্ত করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এটি একটি রাজনৈতিক সমঝোতা হিসেবে বিবেচিত হবে উল্লেখ করে জাতিসংঘ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে একটি আইনগত বাধ্যবাধকতাসহ চুক্তির জন্য এখন থেকেই জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত ফ্রেমওয়ার্ক (ইউএনএফসিসি) কাজ করবে। ২০১০ সালে মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত কোপ-১৫ সম্মেলনে এ চুক্তি সই হবে বলে আশা করছে জাতিসংঘ।</p>
<p style="text-align: justify;">এই সম্মেলনের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে পরিকল্পনা ও চুক্তিনামা তৈরির জন্য কাজ করা বালি অ্যাকশন প্ল্যানবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপ-২ ও কিয়োটো প্রটোকলবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপ-১-এর কার্যক্রম আরও এক বছর বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>অঙ্গীকারনামায় কী আছে: </strong>অঙ্গীকারনামায় বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ বিশে¡র তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">জাতিসংঘের আন্ত:সরকার জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত প্যানেলের (আইপিসিসি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশে¡র গড় তাপমাত্রা দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বাড়তে দিলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে। এতে বেশির ভাগ ছোট দ্বীপরাষ্ট্র ডুবে যাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">খসড়ায় ২০১০-১২ সালের জন্য তিন হাজার কোটি ডলারের একটি তহবিলের কথা বলা হয়েছে। জলবায়ু তহবিলের অর্থ বনায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সক্ষমতা অর্জনে ব্যয় হবে। ফলে এই তহবিলের অর্থ দরিদ্র দেশগুলোর পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশগুলো যেমন চীন, ভারত, ব্রাজিলও পাবে। এমভিসি (সর্বাধিক ঝুঁকিপ্রবণ) দেশগুলোর পক্ষে শিল্পোন্নত দেশগুলোর মোট বার্ষিক প্রবৃদ্ধির দেড় শতাংশ চাওয়া হলেও তা পাওয়ার ব্যাপারে কোনো নিশ্চয়তা মেলেনি। ইউএনএফসিসি থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর এক হাজার কোটি ডলার ও ২০২০ সালের মধ্যে ১০ হাজার কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: center;"><strong>জলবায়ু সম্মেলনে ব্যবহৃত</strong> <strong>কারিগরি শব্দগুলোর পরিচয়</strong></p>
<p style="text-align: justify;"><strong>অভিযোজন (অ্যাডাপটেশন) :</strong> নিঃসন্দেহে জলবায়ু ইস্যুতে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দগুলোর একটি। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য যা যা করা হচ্ছে যেমন- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবেলা করার জন্য বাঁধ নির্মাণ অথবা উচ্চ তাপমাত্রা বা খরা সহনীয় জাতের শস্য উদ্ভাবন ও তার চাষাবাদ।<br />
<strong></strong></p>
<p style="text-align: justify;"><strong> অ্যানথ্রোপোজেনিক (মনুষ্যসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন) :</strong> স¡াভাবিক প্রাকৃতিক নিয়মের বাইরে মানুষের কার্যকলাপের জন্য     (যেমন তেল পুড়িয়ে কার্বন নিঃসরণ) যে জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>অভিযোজন তহবিল :</strong> জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা করতে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সাহায্যের জন্য গঠিত তহবিল। কিন্তু ডেভেলপমেন্ট মেকানিজমের মতো নিঃসরণ হ্রাস কর্মসূচি থেকে পাওয়া অর্থ এ তহবিলের অন্যতম উৎস।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>অ্যানেক্স-১ দেশগুলো : </strong>শিল্পায়িত দেশগুলো (এবং যেসব দেশ বাজার অর্থনীতির পথে যাওয়ার ক্রান্তিলগ্নে) যারা কিয়োটো প্রটোকল অনুযায়ী নিজ নিজ গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমানোর অঙ্গীকার করেছিল।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>অ্যানেক্স-২ দেশগুলো : </strong>কিয়োটো প্রটোকল অনুযায়ী যেসব উন্নত দেশকে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা ও পরিবেশবান্ধব উন্নত প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিশেষ দায়দায়িত্ব বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এ গ্রুপটি অ্যানেক্স-১ এরই একটি উপশাখা, তবে এর মধ্যে যারা ১৯৯২ সালে কেন্দ্রিয়ভাবে পরিকল্পিত অর্থনীতি থেকে মুক্তবাজার অর্থনীতির পথে যাত্রা করেছিল সেসব দেশ নেই।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>অ্যানেক্স-১ বহির্ভূত দেশ :</strong> কিয়োটো প্রটোকল স¡াক্ষর ও অনুমোদনকারী উন্নয়নশীল দেশগুলো। তাদের জন্য বাধ্যতামূলক কার্বন নিঃসরণ হ্রাস লক্ষ্যমাত্রা নেই।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বালি অ্যাকশন প্ল্যান: </strong>২০০৭ সালের ডিসেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনে প্রস্তুত পরিকল্পনা। এটি বালি রোডম্যাপের একটি অংশ। ওই অ্যাকশন প্ল্যান বাস্তবায়নে একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়। গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাসের একটি দীর্ঘমেয়াদি বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব হ্রাস, অভিযোজন, অর্থায়ন ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার একটি অভিন্ন রূপকল্প তৈরি ছিল ওই ওয়ার্কিং গ্রুপের দায়িত্ব।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বালি রোডম্যাপ : </strong>বালিতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনে গৃহীত পরিকল্পনা। এর লক্ষ্য ছিল কিয়োটো প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ আরো হ্রাস করতে ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে একটি ঐক্যমতে পৌঁছানোর পথ প্রশস্ত করা।</p>
<p style="text-align: justify;">এ রোডম্যাপ বা কর্মপরিকল্পনায় দুটি ওয়ার্কিং গ্রুপকে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। একটি গ্রুপের কাজ ছিল বালি অ্যাকশন প্ল্যানের বাস্তবায়ন দেখা। অন্যটির দায়িত্ব ছিল ২০১২ সালের পর অ্যানেক্স-১ দেশগুলোর প্রস্তাবিত নিঃসরণ হ্রাস নিয়ে আলোচনা করা।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ইউএনএফসিসি : </strong>ইউনাইটেড নেশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ। ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিওডি জেনিরোতে আয়োজিত ধরিত্রী শীর্ষ সম্মেলনে গৃহীত বিশে¡র পরিবেশবিষয়ক একগুচ্ছ আন্তর্জাতিক চুক্তির অন্যতম।</p>
<p style="text-align: justify;">জলবায়ু ব্যবস্থায় মানুষের ‘বিপজ্জনক’ হস্তক্ষেপ বন্ধ করাই ইউএনএফসিসির লক্ষ্য। ১৯৯৪ সালের ২১ মার্চ এটি কার্যকর হয় এবং ১৯২টি দেশ এটি অনুমোদন করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>কিয়োটো প্রটোকল : </strong>জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক?াইমেট চেঞ্জের (ইউএনএফসিসি) সঙ্গে যুক্ত একটি প্রটোকল। ওই ফ্রেমওয়ার্কে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। এতে শিল্পোন্নত দেশগুলো তাদের সম্মিলিত নিঃসরণের পরিমাণ ২০০৮ থেকে ২০১২-এ পাঁচ বছরে ১৯৯০ সালের পর্যায় থেকে ৫.২ শতাংশ কমিয়ে আনতে সম্মত হয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশে¡র সরকারগুলো ১৯৯৭ সালে জাপানের কিয়োটোতে এক জাতিসংঘ সম্মেলনে এ ব্যাপারে সম্মত হয়। কিন্তু ২০০৫ সালের আগে তা আইনগতভাবে অবশ্যপালনীয় হতে পারেনি।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>গ্রিনহাউস গ্যাস : </strong>প্রাকৃতিক ও শিল্প থেকে নিঃসৃত গ্যাস যা ভূপষ্ঠের তাপ আটকে রেখে উষ্ণতা বাড়িয়ে তোলে। কিয়োটো প্রটোকলে ৬ ধরনের গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্রার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রাকৃতিকগুলো হচ্ছে কার্বন ডাই-অক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড ও মিথেন। শিল্প থেকে মানুষের সৃষ্টগুলো হচ্ছে পারফ?ুওরোকার্বন্স, হাইড্রোফ্লুওরোকার্বন্স ও সালফার হেক্সাফ্লুওরাইড।</p>
<p style="text-align: justify;">কাচের ঘরের যে আচ্ছাদনের ভেতর কৃত্রিম উষ্ণতা ও আলো ধরে রেখে কিছু বিশেষ উদ্ভিদ চাষ করা হয় তাকে বলে গ্রিনহাউস। এর সঙ্গে মিল রেখে এ প্রক্রিয়ার নামকরণ হয়েছে ‘গ্রিনহাউস এফেক্ট’। কারণ ওই গ্যাসগুলো যেন তাপমাত্রা ক্রমেই বাড়িয়ে তুলে পৃথিবীকে ওরকম উষ্ণ কাচের ঘর বানিয়ে তুলছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>কার্বন ফুটপ্রিন্ট : </strong>একটি নির্দিষ্ট সময়ে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিঃসৃত কার্বনের পরিমাণ একটি নির্দিষ্ট পণ্য উৎপাদনের সময় নিঃসরণের পরিমাণকেও কার্বন ফুটপ্রিন্ট বলা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong> কার্বন অফসেটিং : </strong>বায়ুম ল থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড কমিয়ে ফেলার প্রচেষ্টায় অংশ নিয়ে বা অর্থ জুগিয়ে নিজের নিঃসরণের ক্ষতিপূরণের একটি ব্যবস্থা। অনেক সময় কার্বন অফসেটিং প্রক্রিয়ার আওতায় নিজের নিঃসৃত কার্বনের সমপরিমাণ নিঃসরণ ঠেকাতে অন্যত্র অন্য কোনো পক্ষকে অর্থ দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>এমিশন (নিঃসরণ) ট্রেডিং স্কিম : </strong>গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্যে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ও সরকারগুলোর মধ্যে নিঃসরণ পারমিট বেচাকেনার জন্য চালু করা একটি স্কিম বা প্রকল। সবচেয়ে ভালো প্রকল্প হিসেবে দেখা হয় ২০০৫ সালে চালু হওয়া ইইউর স্কিমটি।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (সিডিএম) : </strong>কিয়োটো প্রটোকলের আওতায় একটি কর্মসূচি। এর মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস বা দূর করায় বিনিয়োগ করে উন্নত দেশ বা তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো ‘ ক্রেডিট’  পেতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong> টিপিং পয়েন্ট :</strong> টিপিং পয়েন্ট হচ্ছে পরিবর্তনের একটি পর্যায়। সেখানে পৌঁছে গেলে এমন এক প্রক্রিয়ার সূচনা হবে যেখান থেকে আরো  পেছনে ফেরা মুশকিল।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%81-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a6/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আইসিটিতে ক্যারিয়ার</title>
		<link>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
		<comments>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 27 Jan 2010 13:37:22 +0000</pubDate>
		<dc:creator>কারেন্ট ইস্যু</dc:creator>
				<category><![CDATA[ক্যারিয়ার]]></category>
		<category><![CDATA[ICT]]></category>
		<category><![CDATA[আইসিটি]]></category>
		<category><![CDATA[কল সেন্টার]]></category>
		<category><![CDATA[ডিজাইনিং]]></category>
		<category><![CDATA[প্রোগ্রামিং]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.currentissuebd.com/?p=1766</guid>
		<description><![CDATA[তথ্য-প্রযুক্তির যুগ বর্তমান বিশ্ব। তথ্য-প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষ সাধনে বিশ্ব আজ হাতের মুঠোয়। গ্লোবাল ভিলেজ, গ্লোবালাইজেশন বা বিশ্বমানের যে তোড়জোড় সেটার অবদান একমাত্র তথ্য-প্রযুক্তির। এ তথ্য- প্রযুক্তি বর্তমানে ক্যারিয়ারের একটি বড় ক্ষেত্রও বটে। তথ্য-প্রযুক্তির প্রধান উপকরণটি বলা চলে কম্পিউটার। এ কম্পিউটারে যে কত শত কাজ আছে তা কল্পনাতীত। কম্পিউটারের শুরুর প্রথম কাজটি টাইপিং বা কম্পোজিং। এ সাধারণ কাজটি দিয়েই আজ মাসে ২০-২৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। আর অন্যান্য কাজের অবস্থাতো বোঝাই যায়। আইসিটি নির্ভর বর্তমান পৃথিবী। আমরা যে ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলি তার মূল হলো আইসিটি। আইসিটি বা তথ্য-প্রযুক্তিতে বর্তমানে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><a href="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/career.jpg"><img class="alignleft size-full wp-image-1767" style="margin-left: 8px; margin-right: 8px;" title="career" src="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/career.jpg" alt="" width="250" height="137" /></a>তথ্য-প্রযুক্তির যুগ বর্তমান বিশ্ব। তথ্য-প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষ সাধনে বিশ্ব আজ হাতের মুঠোয়। গ্লোবাল ভিলেজ, গ্লোবালাইজেশন বা বিশ্বমানের যে তোড়জোড় সেটার অবদান একমাত্র তথ্য-প্রযুক্তির। এ তথ্য- প্রযুক্তি বর্তমানে ক্যারিয়ারের একটি বড় ক্ষেত্রও বটে। তথ্য-প্রযুক্তির প্রধান উপকরণটি বলা চলে কম্পিউটার। এ কম্পিউটারে যে কত শত কাজ আছে তা কল্পনাতীত। কম্পিউটারের শুরুর প্রথম কাজটি টাইপিং বা কম্পোজিং। এ সাধারণ কাজটি দিয়েই আজ মাসে ২০-২৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। আর অন্যান্য কাজের অবস্থাতো বোঝাই যায়। আইসিটি নির্ভর বর্তমান পৃথিবী। আমরা যে ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলি তার মূল হলো আইসিটি। আইসিটি বা তথ্য-প্রযুক্তিতে বর্তমানে রয়েছে চমৎকার ক্যারিয়ার।<span id="more-1766"></span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong>আইসিটি:</strong><br />
আইসিটি (ICT) মূলত তিনটি বর্ণের সমষ্টি। প্রত্যেকটি বর্ণের রয়েছে নিজস্ব বিশ্লেষণ। যেমন</p>
<p style="text-align: justify;">I-তে Information-অর্থাৎ তথ্য।<br />
C-তে Communication অর্থাৎ যোগাযোগ।<br />
এবং T-তে Technology অর্থাৎ প্রযুক্তি।</p>
<p style="text-align: justify;">Information, Communication and technology বা তথ্য-প্রযুক্তি ও যোগাযোগের একটি বিশাল ক্ষেত্র। এর আওতা এবং ব্যাপকতাও অনেক। কম্পিউটার, ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন, কল সেন্টার প্রভৃতি সবই এর অন্তর্ভুক্ত। তাই আইসিটির ক্যারিয়ার আলোচনায় এগুলোর আলোচনা আসবে। তবে আমরা প্রাধান্য দিচ্ছি ইন্টারনেট আর কম্পিউটারভিত্তিক ক্যারিয়ারকে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার :</strong><br />
কোনো প্রতিষ্ঠানে একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে নেটওয়ার্কিং পদ্ধতিতে সমস্যাহীনভাবে যোগাযোগ রক্ষা করতে নিয়মিত তৎপর থাকে একজন নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার। কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজের সুযোগ রয়েছে আইএসপি তথা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার কোম্পানিগুলোতে। এছাড়া কাজের সুযোগ রয়েছে মোবাইল কোম্পানি, ব্যাংক, এয়ারলাইন্স, ট্রাভেল এজেন্সি, শেয়ার মার্কেট, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, বায়িং হাউজ ইত্যাদিতে। এছাড়াও চাকরির সুযোগ রয়েছে যে কোনো ধরনের অফিস যেখানে কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>যোগ্যতা :</strong><br />
কম্পিউটার সায়েন্সে ব্যাচেলর ডিগ্রিধারীরা সহজেই নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে অন্যান্য ডিগ্রিধারীরাও অ্যাডভান্সড ডিপ্লোমা করে কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বিষয়ে ১ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেও নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারিং এর কাজ করতে পারেন।<br />
এক্ষেত্রে আইটি প্রতিষ্ঠান, ডটকম আইটি বাংলা, সিসকো ভ্যালি, বেইজ, জেনুইটি, নিউরাইজন প্রভৃতি প্রতিষ্ঠান প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>আয় :</strong><br />
একজন সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার বা নেটওয়ার্ক সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে এ পেশায় আপনিও আপনার কাজ শুরু করতে পারেন। প্রাথমিক বেতন ৮-১০ হাজার টাকা হলেও অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জনের সাথে সাথে এর পরিমাণ লাখ টাকাও ছাড়িয়ে যেতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>পিএইচপি প্রোগ্রামার :</strong><br />
পিএইচপি হলো একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট টুল এবং সেই সঙ্গে একটি হাইপার টেক্সট মার্ক আপ ল্যাঙ্গুয়েজ। যার মাধ্যমে ওয়ার্ল্ড কাস স্ট্যান্ডার্ডের ওয়েবসাইট, ই-কমার্স, সোস্যাল নেটওয়ার্ক সাইট, নিউজ পেপার সাইট ইত্যাদি খুব সহজে আকর্ষণীয়ভাবে তৈরি করা যায়। আমাদের দেশে বর্তমানে অনেক ওয়েব সার্ভিস সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে ওয়েবসাইটের কাজ করা হয়। বর্তমানে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের ব্যবসার সম্প্রসারণে এবং অল্প সময়ে কাস্টমারদের খুব কাছাকাছি আসার জন্য ওয়েবসাইট প্রকাশে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। এভাবে ওয়েবসাইটের সংখ্যাও দিন দিন বেড়েই চলছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>যোগ্যতা ও আয় :</strong><br />
পিএইচপি জানা থাকলেই এখানে কাজ করা যায়। প্রশিক্ষণ এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে পিএইচপি প্রোগ্রামার হওয়া যায়। তাবে কম্পিউটার সায়েন্স ডিগ্রীধারীরা এখানে ভালো করতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রাথমিকভাবে একজন পিএইচপি প্রোগ্রামার ১০ হাজার টাকা পেয়ে থাকেন। নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বাইরেও যত ইচ্ছা কাজ করা যায়। তবে অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা থাকলে মাসে ৭০-৮০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ডাটা এন্ট্রি অপারেটর :</strong><br />
অনলাইন ও সরাসরি দু’ভাবে ডাটা এন্ট্রির কাজ সম্পাদিত হয়ে থাকে। গুরুত্বপূর্ণ ডাটা সংরক্ষণ করে রাখাই ডাটা এন্ট্রির মূল কাজ। ইন্টারনেট সংযোগসহ কম্পিউটারের মাধ্যমে ডাটা এন্ট্রির কাজ সম্পাদিত হয়ে থাকে। ফলে শুধু দেশের ভেতরেই নয় দেশের বাইরের কাজও করা সম্ভব। দলগতভাবে, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কিংবা একাকীও এ কাজ করা যায়। ডাটা বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। এখানে টাইপিং হতে পারে, কোন ফর্দ লেখা হতে পারে কিংবা পাজল ওয়ার্ড পূরণ করা।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>যোগ্যতা ও আয় :</strong><br />
কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকলেই ডাটা এন্ট্রির কাজ করা যায়। তবে এ কাজে প্রধানত মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এবং এক্সেল জানা থাকতে হয়। দ্রুত কাজ করার যোগ্যতাই এখানে প্রধান। ডাটা এন্ট্রির কাজ সহজই বলা চলে। তবে এখানে কাজের উপর আয় নির্ভর করে। আপনি যতবেশি কাজ করতে পারবেন আপনার আয়ও ততবেশি হবে। এক্ষেত্রে সহজেই ৮-১০ হাজার টাকা উপার্জন করা সম্ভব। বাইরের কাজে টাকা বেশি। সেক্ষেত্রে আপনার কাজের উপর ভিত্তি করে এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা আয় করতে পারবেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>অ্যানিমেশন :</strong><br />
গতি কিংবা প্রাণ সঞ্চারই এ্যানিমেশন। কোন বস্তু বা অংশ বিশেষের মধ্যে হয় এ প্রাণ সঞ্চার। বস্তুর গঠন প্রণালী ত্রিমাত্রিক হলে তাকে থ্রিডি এ্যানিমেশন এবং দ্বিমাত্রিক হলে টুডি অ্যানিমেশন বলা হয়। একজন এ্যানিমেটরকে চারপাশের পরিবেশের কাঠামোগত গঠন ও পরিবর্তন, বাস্তব চরিত্র সম্পর্কে গঠিত ধারণা এবং এ্যানিমেশনের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলোকে আলাদা আলাদা এ্যাঙ্গেলে প্রদর্শন করা, কোনো মডেলের সঠিক আকার নির্ধারণ করা, চরিত্রকে বাস্তব সম্মতরূপে ফুটিয়ে তুলতে সবগুলো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে পারা, রংয়ের মিশ্রণ, বহির্দৃশ্য চিত্রায়ণ, সর্বোপরি চমৎকার কাহিনী রূপায়নের মত জটিল বিষয়গুলো সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখতে হয়। কোনো প্রতিষ্ঠানে কিংবা টিভি চ্যানেলগুলোতে, বিজ্ঞাপনী সংস্থাগুলোতেও একজন অ্যানিমেটরের কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। ভালো অ্যানিমেশন এর কাজ জানা থাকেল দেশের বাইরেও কাজের সুযোগ রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>যোগ্যতা ও আয় :</strong><br />
গ্রাফিক্স অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়ার ওপর ব্যাচেলর ডিগ্রি অথবা অ্যাডভান্স ডিপ্লোমা, এছাড়া অ্যানিমেশন এর ওপর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ সেন্টারগুলোতে স্বল্পমেয়াদী কোর্স চালু আছে। এ বিষয়ে শান্ত মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজিতেও অনার্স করার সুযোগ রয়েছে। অ্যানিমেটর হিসেবে কাজে শুরুর দিকে বেতন ১০-১২ হাজার টাকা পেলেও একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ অ্যানিমেটর কোনো কার্টুন অ্যানিমেশন হাউজের সঙ্গে কিংবা বিজ্ঞাপনী সংস্থায় মাসে ২০-৩০ হাজার টাকা খুব সহজেই উপার্জন করতে পারেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>গ্রাফিক্স ডিজাইনার :</strong><br />
সুন্দরের কারুকার্য করাই গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ। শিল্পীর শৈল্পিক কাজের অন্যতম কাজ গ্রাফিক্স ডিজাইন। কম্পিউটারের সাহায্যে কোনো ডিজাইনার কার্যক্ষেত্রে এ কাজকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারলেই গ্রাফিক্স ডিজাইন পূর্ণতা পায়। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের চাহিদা রয়েছে সব জায়গায়ই। প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিক মিডিয়া, ফটো এডিটিং এমনকি ওয়েব ডিজাইনের ক্ষেত্রেও একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার কাজ করেন। এছাড়া যেকোন প্রকাশনা সংস্থা, বিজ্ঞাপনী সংস্থা, বিলবোর্ড তৈরি, লিফলেট ইত্যাদি সবকিছুতেই রয়েছে গ্রাফিক্সের কাজ। গ্রাফিক্সের কাজ জানা থাকলে আপনি নিজেই একটি দোকান দিয়ে বসতে পারেন। ব্যক্তিগত পর্যায়েও এ কাজ ব্যবসায়িকভাবে শুরু করতে পারেন। সিনেমাসহ আরো অনেক কাজে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের চাহিদা বেড়েই চলছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>যোগ্যতা ও আয় :</strong><br />
সৃষ্টিশীল প্রতিভা আর শৈল্পিক গুণাবলীই এখানে প্রধান যোগ্যতা। তবে কাজ জানাটাতো আছেই। এক্ষেত্রে গ্রাফিক্স ইনস্টিটিউট হিসেবে রয়েছে চারুকলা। এছাড়া যেকোন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে ৩ মাসের বা ৬ মাসের গ্রাফিক্স ডিজাইনের প্রশিক্ষণ নিয়েই এ কাজ করা যায়। আয়ের ক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় ৮-১০ হাজার টাকা হলেও অভিজ্ঞতা ও সৃষ্টিশীলতার সাথে পাল্লা দিয়ে এ পরিমাণ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>কলসেন্টার :</strong><br />
গ্রাহক সমস্যার সমাধান মানেই কলসেন্টার। কলসেন্টারে দু’ধরনের কাজ হয়ে থাকেÑ ইনকামিং এবং আউটগোয়িং। কোন গ্রাহক কোনো সমস্যার সমাধান পেতে অথবা কোন ক্রেতা কেনা-কাটার ব্যপারে দ্রুত ও সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে যখন কোনো প্রতিষ্ঠানের কলসেন্টারে কল করেন তখন তা কলসেন্টারের জন্য ইনকামিং কল হয় এবং উক্ত কলসেন্টারকে ইনকামিং কলসেন্টার বলে।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যদিকে আউটগোয়িং কলসেন্টারগুলো থেকে কর্মীরা কোনো পণ্য বিক্রয় করার ক্ষেত্রে মার্কেটিংয়ের কাজটি করে থাকেন। আউটগোয়িং কলসেন্টারে কাজ করা কর্মীদের যে কোনো বিষয় ক্রেতার নিকট সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার যোগ্যতাটুকু থাকা চাই।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশে এখনই অনেক কলসেন্টার রয়েছে। বর্তমানে গ্রামীণ ফোন, বাংলালিংক এ ধরনের কিছু প্রতিষ্ঠানসমূহের কাস্টমার কেয়ার সার্ভিসের জন্য ব্যবহৃত কলসেন্টারগুলোর কার্যক্রম বেশ উল্লেখযোগ্য।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>যোগ্যতা ও আয় :</strong><br />
কলসেন্টারে কাজের ক্ষেত্রে এইচএসসি পাশ হলেই হয়। প্রশিক্ষণ নিয়েই এখানে কাজ শুরু করা যায়। ইংরেজি ভাষার দখলটা এখানে জরুরি। ফুলটাইম কাজের পাশাপাশি পার্ট টাইম কাজেরও সুযোগ রয়েছে। কলসেন্টারে কাজ করে ১০-১৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। অভিজ্ঞতার সাথে আয়ের পরিমাণও বাড়বে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>অটোক্যাড ডিজাইনার :<br />
</strong>কম্পিউটার এইডেড ডিজাইনকে সংক্ষেপে “ক্যাড” বলা হয়। অটোক্যাডের মাধ্যমে ডিজাইনগুলো অতি দ্রুত এবং সহজে সম্পন্ন করা যায়। আর্কিটেক্ট ডিজাইন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাকরির সুযোগ রয়েছে। এছাড়া সার্ভে অফিস, রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান, ফার্নিচার শিল্প, ইলেকট্রনিক্যাল ডায়াগ্রাম ডিজাইন শিল্প ইত্যাদি। ক্যাড ডিজাইনাররা নিজেরা ফার্ম দিয়েও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারে। এছাড়া ইন্টেরিয়র ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার, কম্পিউটার ফার্ম, আইটি সেক্টরে অটোক্যাড ডিজাইনারদের কাজের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>যোগ্যতা ও আয় :</strong><br />
পাশের যোগ্যতায় এইচএসসি হলেই হয়। তবে এর জন্য অটোক্যাড অ্যাপ্লিকেশন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। এর পাশপাশি সৃজনশীলতাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ শুরু করা যায়। এখানেও প্রাথমিক বেতন ১০-১২ হাজার টাকা। তবে দক্ষতা বৃদ্ধির সাথে এটি ৫০ হাজার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। প্রশিক্ষণ নেয়ার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্কাই-হাই ইনস্টিটিউট অব ডিজাইন এবং রেডিয়েন্ট ইনস্টিটিউট অব ডিজাইন অন্যতম।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>মাল্টিমিডিয়া :</strong><br />
গ্রাহককে কোনো বিষয় দ্রুত অবহিত করতে কয়েকটি মিডিয়ার সম্মিলনে হয় মাল্টিমিডিয়া। মূলত গ্রাফিক্স, অডিও, ভিডিও, অ্যানিমেশন ও ইন্টারঅ্যাকটিভিটির সমন্বয়েই মাল্টিমিডিয়া পূর্ণতা পায়। মাল্টিমিডিয়া জগতের প্রতিটি মিডিয়ারই আছে নিজ নিজ ক্ষেত্রে নিজস্ব গতি ও অবস্থান।<br />
বর্তমানে যেসব প্রতিষ্ঠানগুলো ইন্টারঅ্যাকটিভ মাল্টিমিডিয়াভিত্তিক কাজ করছে সেসব প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া প্রোগ্রামার কিংবা ডেভেলপার হিসেবে কাজ করার সুযোগ আছে। শিক্ষামূলক মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার সমূহের চাহিদা বেশ ভালো বলেই শিক্ষামূলক এ মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার সমূহের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেক্ষেত্রে একজন মাল্টিমিডিয়া ডেভেলপারের জন্য কর্মক্ষেত্রের পরিধি আরও বৃদ্ধি পাবে। নতুন ডেভেলপারদের স্বাভাবিকভাবেই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>যোগ্যতা ও আয় :</strong><br />
গ্রাফিক্স অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়ার ওপর ব্যাচেলর ডিগ্রির সুযোগ রয়েছে। এর ওপর ডিপ্লোমাও করা যায়। তবে যেকোনো মাধ্যমে পড়ালেখার পর প্রশিক্ষণ নিয়েও মাল্টিমিডিয়া ডেভেলপার হিসেবে কাজ করা যায়। এক্ষেত্রে চর্চাটা মূখ্য। একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ মাল্টিমিডিয়া ডেভেলপার কোনো মাল্টিমিডিয়া ডেভেলাপার হাউজের সাথে যুক্ত থেকে মাসে ৩০-৫০ হাজার টাকা সহজেই আয় করতে পারবেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong> ওয়েব ডেভেলপার :<br />
</strong>বিশ্বব্যাপী যোগাযোগের এমনকি নিজের পরিচিতি তুলে ধরতে ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট জনপ্রিয় মাধ্যম। এ ওয়েবসাইট তৈরির দায়িত্বে থাকেন কিছু দক্ষ কর্মী, যাদেরকে ওয়েব ডেভেলপার বলে। একটি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট সে প্রতিষ্ঠান এবং গ্রাহকের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করে। একজন ওয়েব ডেভেলপার ওয়েবসাইটের জন্য তৈরিকৃত ডিজাইনকে সব দিক থেকে বাস্তব সম্মত করে তোলেন।<br />
আমাদের দেশে এখন অনেক ওয়েব সার্ভিস সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে ওয়েবসাইট নির্মাণের কাজ করা হয়। ফলে ওয়েব ডেভেলপারদের চাহিদাও বাড়ছে দ্রুত।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>যোগ্যতাও আয় :<br />
</strong>কম্পিউটার সায়েন্সের ওপর ব্যাচেলর ডিগ্রি অথবা মাল্টিমিডিয়া অ্যান্ড ই-কমার্সের ওপর অ্যাডভান্স ডিপ্লোমা করলে ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে ভালো কাজ করা যায়। তবে অন্য মাধ্যমে পড়শোনা করেও ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে কাজ করা সম্ভব। প্রথম দিকে ওয়েব ডেভেলপাররা সাধারণত ১০ হাজার টাকা আয় করতে পারলেও যোগ্যতা আর অভিজ্ঞতার আলোকে এ পরিমাণ ৪০-৫০ হাজারও ছাড়িয়ে যেতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">দিন দিন আইসিটির কাজের ক্ষেত্র বাড়ছে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এখানে প্রচুর লোকের চাহিদা রয়েছে। আইসিটির এসব কাজ জানা থাকলে কোনো প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি নিজে নিজেও স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ বিদ্যমান। আবার একই সাথে প্রতিষ্ঠানের কাজ এবং নিজের ক্ষুদ্র উদ্যোগে সময় দেয়ার দারুন সুযোগ। বর্তমানে দেশের সর্বত্রই আইসিটিতে দক্ষ লোকের প্রয়োজন। আপনার সৃজনশীলতা, নতুনত্ব, আকর্ষণীয়তা আপনাকে নিয়ে যাবে খ্যাতির শীর্ষে।<br />
আমরা আইসিটির ক্ষুদ্র বিষয়গুলোই এখানে আলোচনা করেছি। বড় বিষয় বললে কম্পিউটার সায়েন্স, টেলিকমিনিকেশন ইত্যাদি বিষয় আসতো। বর্তমানে এ ক্ষুদ্রজ্ঞান দিয়ে এখানে চমৎকার ক্যারিয়ার  গড়া সম্ভব। বড় বিষয়গুলো দিয়ে ক্যারিয়ার গড়া নিঃসন্দেহে আরো বড় সম্ভব।<br />
<span style="text-decoration: underline;"><em> রচনায়- এস এম মাহফুজ </em></span></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্বের প্রাচীন সভ্যতাসমূহ</title>
		<link>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%ae/</link>
		<comments>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%ae/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 27 Jan 2010 13:30:28 +0000</pubDate>
		<dc:creator>কারেন্ট ইস্যু</dc:creator>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলামী সভ্যতা]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রীক]]></category>
		<category><![CDATA[রোমান]]></category>
		<category><![CDATA[সভ্যতা]]></category>
		<category><![CDATA[সুমেরীয়]]></category>
		<category><![CDATA[হিব্রু]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.currentissuebd.com/?p=1761</guid>
		<description><![CDATA[পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে সভ্যতার উদ্ভব মানুষের সবচেয়ে বড় অর্জন। সভ্যতার ক্রমান্বয়ে উন্নতির ফলেই মানুষের জীবনযাত্রা সহজ থেকে সহজতর হয়েছে। আজকের আধুনিক যুগও সভ্যতার কল্যাণেই সম্ভব হয়েছে। বন্যতা থেকে বর্বরতা এবং বর্বরতা থেকে মানুষ ধীরে ধীরে সুশৃংঙ্খল জীবন-যাপনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। মানবগোষ্ঠী তাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড দ্বারা জীবন প্রবাহের মানোন্নয়ন করতে থাকে। বিশেষ সময়-কালের পরিপ্রেক্ষিতে তা সভ্যতা নামে অভিহিত হয়। প্রাচীন কালে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বহু সভ্যতা গড়ে ওঠে। কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সভ্যতা নিচে তুলে ধরা হলো।
মিশরীয় সভ্যতা :
পৃথিবীর ইতিহাসে প্রাচীন সভ্যতাগুলোর অন্যতম হচ্ছে মিশরীয় সভ্যতা। প্রায় ৫০০০ থেকে ৩০০০ খ্রিস্ট ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><a href="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/sovvota.jpg"><img class="alignleft size-full wp-image-1763" style="margin-left: 8px; margin-right: 8px;" title="sovvota" src="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/sovvota.jpg" alt="" width="300" height="225" /></a>পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে সভ্যতার উদ্ভব মানুষের সবচেয়ে বড় অর্জন। সভ্যতার ক্রমান্বয়ে উন্নতির ফলেই মানুষের জীবনযাত্রা সহজ থেকে সহজতর হয়েছে। আজকের আধুনিক যুগও সভ্যতার কল্যাণেই সম্ভব হয়েছে। বন্যতা থেকে বর্বরতা এবং বর্বরতা থেকে মানুষ ধীরে ধীরে সুশৃংঙ্খল জীবন-যাপনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। মানবগোষ্ঠী তাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড দ্বারা জীবন প্রবাহের মানোন্নয়ন করতে থাকে। বিশেষ সময়-কালের পরিপ্রেক্ষিতে তা সভ্যতা নামে অভিহিত হয়। প্রাচীন কালে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বহু সভ্যতা গড়ে ওঠে। কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সভ্যতা নিচে তুলে ধরা হলো।<span id="more-1761"></span></p>
<p style="text-align: justify;"><strong>মিশরীয় সভ্যতা :</strong></p>
<p style="text-align: justify;">পৃথিবীর ইতিহাসে প্রাচীন সভ্যতাগুলোর অন্যতম হচ্ছে মিশরীয় সভ্যতা। প্রায় ৫০০০ থেকে ৩০০০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে মিশরে সভ্যতার বিকাশ ঘটে। নীলনদকে কেন্দ্র করে এ সভ্যতা গড়ে ওঠে। মিশরীয় সভ্যতার উদ্ভব ও বিকাশে ভূপ্রকৃতি ও আবহাওয়া অনন্য ভূমিকা পালন করেছে। উত্তরে ভূমধ্যসাগর, দক্ষিণে নুবিয়ার মরুভূমি, পূর্বে লোহিত সাগর, পশ্চিমে লিবিয়ার মরুভূমি। বস্তুত মিশরের প্রাণ নীলনদের জন্যই এ অঞ্চলে মানব সভ্যতার সর্বাপেক্ষা দীর্ঘমেয়াদী গুরুত্বপূর্ণ এবং সমৃদ্ধশালী সভ্যতার সূচনা হয়েছিল। প্রথম দিকে মিশর ৪০টি নোম বা নগর রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল। রাজা মেনেস প্রথম একটি একক রাষ্ট্রের পত্তন ঘটান। এরপর ৩০টির মতো রাজবংশ মিশর শাসন করে। মিশর প্রথমে গ্রীক, পরে রোমক, তারও পরে আরব শাসনের অন্তর্গত হয়। মিশরীয় সম্রাটদের বলা হতো ফারাওন বা ফারাও। মিশরীয়রা খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় সহস্রাব্দের মধ্যেই অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি সাধন করে। জমিতে জলসেচ, বাধ নির্মাণ, জল নিষ্কাশনের কাজে সফল হওয়ার জন্যই এর উন্নতি সাধিত হয়। মিশরীয়দের ধর্মভাব ছিল প্রবল। নানা দেবদেবীর উপাসনা করত তারা । তাদের বিশ্বাস ছিল এসব দেব দেবী প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করে। খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে মিশরে হায়ারোগ্লিফিক বা চিত্রলিপি নামে এক উন্নত লিখন পদ্ধতির উদ্ভব হয়। শর বা নলখাগড়া জাতীয় গাছের মজ্জা থেকে তৈরি প্যাপিরাস নামের এক ধরনের কাগজের উপরে তারা লেখার কাজ সম্পন্ন করত। ফসলের পরিমান নিরূপণ করতে গিয়ে প্রাচীন মিশরে জন্ম হয় গণিত শাস্ত্রের। খাল খনন, ভূমির দৈর্ঘ ও প্রস্থের পরিমাণ, পিরামিডের পাথরের আয়তন ও কোণের পরিমাপ করতে গিয়ে উদ্ভব ঘটে জ্যামিতির। ক্যালেন্ডার তৈরি করার প্রথম কৃতিত্বও তাদের। তারাই প্রথম ৩৬৫ দিনে বছর গণনা শুরু করেন। ফারাওদের মৃতদেহ পঁচনের হাত থেকে রক্ষার জন্য মিশরীয়রা মমি (পিরামিড) তৈরি করে। পিরামিডগুলো আজ অবধি স্বমহিমায় দাড়িয়ে আছে। তাদের সবচেয়ে বড় পিরামিডের নাম হল ফারাও খুফুর পিরামিড।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সুমেরীয় সভ্যতা :</strong><br />
মেসোপটেমিয়ার উত্তরাংশে আক্কাদ ও দক্ষিণাংশে সুমের। এ সুমেরকে কেন্দ্র করেই আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দ নাগাদ মেসোপটেমিয়ায় এক উন্নত সভ্যতার উন্মেষ ঘটে। জাতিতে অসেমিটিক সুমেরবাসীই আদি মেসোপটেমিয়ার জনক। আনুমানিক ৩০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সেমিটিক জাতির একটি শাখা দজলা ফোরাত (বর্তমানে টাইগ্রিস-ইউফ্রেটিস) উপত্যকায় এসে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে শুরু করে। সমাজ ও সভ্যতার দিক দিয়ে অনগ্রসর এই সেমিটিক শাখাটিই স্থানীয় সুমেরীয়দের ঘরবাড়ি তৈরি, জলসেচ সর্বোপরি লিখন পদ্ধতি সম্পর্কে   জ্ঞান লাভ করে। সুমেরীয়রা সুসভ্য জাতি হলেও সুসংহত রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়নি। বস্তুত সুমের অধ্যুষিত প্রাচীন বেষ্টিত এই সব নগর ছিল সম্পূর্ণ স্বাধীন। প্রত্যেক নগররাষ্ট্রে জাগতিক ও আধ্যাতিœক উভয় ক্ষেত্রে রাজাই ছিল সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। তবে কেন্দ্রিয় রাজশক্তির অভাবে প্রভুত্ব স্থাপনের জন্য রাজ্যগুলো পারস্পরিক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত থাকত। সুমেরীয়দের সমাজে অর্থনৈতিক কাঠামো জটিলতার বেড়াজালে আবদ্ধ ছিল না বরং সহজ-সরল ছিল। বাণিজ্য ছিল সুমেরীয়দের দ্বিতীয় অর্থনৈতিক উৎস। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক দু’ধরনের বাণিজ্যই চালু ছিল। বাণিজ্যে বেসরকারী উদ্যোগকে উৎসাহিত করা হতো সমুদ্র ও স্থল পথে সুমেরীয়রা নীল কান্তমনি, লালপাথর ও অন্যান্য পাথর এবং কাঠ আমদানি করতো। বয়নজাত দ্রব্য, অলংকার, যুদ্ধের অস্ত্র, প্রভৃতি রপ্তানি করতো। সুমেরীয়রা বহু দেব-দেবীতে বিশ্বাসী ছিল। তাদের প্রধান দেব-দেবী ছিল শামাস, এনলিল, ইশতার, নারগল ও এনকি। সুমেরীয় সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ অবদান লিখন পদ্ধতির আবিষ্কার। আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দে সুমেরীয়রা পিকটোগ্রাফিক নামে লিখন পদ্ধতির সূত্রপাত ঘটায়। তারা বছরকে ১২ মাসে, দিন-রাত্রিকে ঘন্টায় এবং ঘণ্টাকে মিনিটে বিভক্ত করেছিল। দিন ও রাতের সময় নিরূপণের জন্য সুমেরীয়রা পানিঘড়ি ও স্বর্ণঘড়ি আবিষ্কার করে। তারাই প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ১দিন ও ৭ দিনে ১ সপ্তাহ নিয়ম প্রবর্তন করে। সুমেরীয়রা সূর্য ও চন্দ্রের আপেক্ষিক অবস্থিতি নির্ণয় করেছিল এবং গ্রহের সময় নিরূপণ করতে সক্ষম হয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ব্যাবিলনীয় সভ্যতা :</strong><br />
প্রাচীন কালে মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে যে সকল সভ্যতা গড়ে ওঠেছিল সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হল ব্যাবিলনীয় সভ্যতা। খ্রিস্টপূর্ব ২৪০০ অব্দে সুমের আক্কাদ বা প্রাচীন ব্যাবিলন সাম্রাজ্য স্থাপিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন প্রথম সারগন। রাজা হাম্বুরাবী ছিলেন সভ্যতার শ্রেষ্ঠ শাসক। হাম্মুরাবী দুর্ধর্ষ যোদ্ধা, সংগঠক, প্রশাসক, ও আইন সংকলক ছিলেন। তিনি বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত নগর রাষ্ট্রকে একত্রিত করেন। প্রায় ৪২ বছর (১৭৯২-১৮৫০ খ্রি:পূর্বাব্দ) ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থেকে তিনি সমগ্র মেসোপটেমিয়া ভূমধ্যসসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত ও এশিয়ার উপর কর্তৃত্ব করে ‘সর্বাধিপতি’ উপাধি ধারণ করেন। তাঁর রাজত্বকালে শুধু বিজয়ই নয় বরং শক্তিশালী কেন্দ্রিয় শাসন, আইনসহ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য ব্যাবিলনের ইতিহাস ‘স্বর্ণযুগ’ হিসেবে পরিচিত। আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে তিনি অসাধারণ মেধার পরিচয় দেন। প্রাচীন ব্যাবিলনে ‘কিউনিফর্ম’ অর্থাৎ কীলক আকারের লিখন পদ্ধতি প্রচলিত ছিল। এই পদ্ধতি প্রাচীন মিশনের ‘চিত্রলিখন’ পদ্ধতি অপেক্ষা উন্নত ছিল। ব্যাবিলনীয় ভাষা ছিল ৩০০ ধ্বনি চিহ্ন বিশিষ্ট। ব্যাবিলনীয়রা অসংখ্য দেব-দেবীর পূজা করত। সূর্যদেব মারদুক ছিল তাদের শ্রেষ্ঠ দেবতা।ব্যাবিলনের বিখ্যাত ‘শূন্য উদ্যান’ পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম। শিল্প ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ব্যাবিলনীয়রা উন্নত ছিল। কাঁচ শিল্পের উন্নতি সাধন ও প্রসারে তাদের যথেষ্ট অবদান রয়েছে। চিত্রাঙ্কন বিদ্যা, জ্যোতিষ শাস্ত্র, অঙ্ক শাস্ত্র এবং আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে তাদের অতুলনীয় পারদর্শিতা ছিল। গ্রহ-নক্ষত্রাদি সম্পর্কে তাদের জ্ঞানের সীমা বহুদূর পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছিল। সূর্য ও জলঘড়ির সাহায্যে তারা সময় নিরূপণ করত। চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ সম্পর্কেও তাদের ধারণা ছিল যথাযথ। সেই সুদুর প্রাচীনকালে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির গণনা ব্যাবিলন থেকেই প্রসার লাভ করে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>অ্যাসেরীয় সভ্যতা :</strong><br />
মেসোপটেমিয়ার উত্তরাংশে অ্যাসেরীয়রা প্রাধান্য বিস্তার করে। ক্যাসাইটদের আক্রমণে প্রাচীন ব্যাবিলন সাম্রাজ্যের পতন ঘটলে তারা এই সভ্যতার উত্তরাধিকার লাভ করে। খ্রিস্টপূর্ব ১৩০০ অব্দের মধ্যেই অ্যাসেরীয়রা সমগ্র উত্তর মেসোপটেমিয়া দখল করে নেয়। অ্যাসেরীয়রা মূলত ব্যাবিলনীয় সভ্যতা দ্বারা প্রভাবিত হলেও সভ্যতার ইতিহাসে তাদের নিজস্ব অবদানও কম নয়। স্থাপত্য, ভাস্কর্য, চিত্রকলা, কারুশিল্প ইত্যাদি ক্ষেত্রে তাদের মৌলিক উদ্ভাবনী ক্ষমতার ছাপ সুস্পষ্ট। অ্যাসেরীয়রা প্রথমদিকে ব্যাবিলনের কিউনিফর্ম লিপির ব্যাপক ব্যবহার করে। পরে তারা আর্মেনিয় ভাষাও বেশ ব্যবহার করে। অ্যাসেরীয় রাজারা প্রাচীন ঐতিহ্য সংরক্ষণেও সচেতন ছিলেন।  রাজা সেনাচেরি তার রাজধানী নিনেভায় কাদার চাকতি সংরক্ষণের মাধ্যমে একটি বিশাল গ্রন্থাগার গড়ে তোলেন। তবে রাজা আসুরবানিপাল প্রতিষ্ঠিত নিনেভায় গ্রন্থাগারকে এশিয়ার প্রথম গ্রন্থাগার বলা হয়। এখানে ২২,০০০ এর বেশি কাদার চাকতির পুস্তক ছিল।          এগুলো অধিকাংশই ব্রিটিশ যাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ধর্মীয় দিক থেকে অ্যাসেরীয়রা বহু দেব-দেবীর বিশ্বাস ও তাদের পূজা করত। তাদের প্রধান দেবতা ছিল আসুর। এরপর ছিল ইশতারের স্থান। অ্যাসেরীয়রাই প্রথম বৃত্তের ডিগ্রি নিরূপণ এবং অক্ষাংশ ও   দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করতে সক্ষম হয়। জ্যোতির্বিদ্যার ক্ষেত্রে তাদের অবদান অতুলনীয়। তারাই প্রথম পাঁচটি গ্রহ আবিষ্কার করে এগুলোর নামকরণ করেছিলেন। চিকিৎসা বিজ্ঞান, রোগ নির্ণয় ও প্রতিকার ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও তাদের অগ্রগতি ছিল উল্লেখযোগ্য। অ্যাসেরীয়দের বলা হয় এশিয়ার রোমান। রোমানরা যেমন গ্রীক সভ্যতাকে পৃথিবী ব্যাপী ছড়িয়ে দিয়েছিল, অ্যাসেরীয়রাও একই ধরণের ভূমিকা পালন করেছিল ব্যাবিলনীয় সভ্যতা বিশ্বময় ছড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>চৈনিক সভ্যতা :</strong><br />
চীনা সভ্যতা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও নদীকেন্দ্রিক সমৃদ্ধ সভ্যতা। অনেকের মতে, এর উদ্ভব চীনের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের তারিম উপত্যকায়। কুয়েন্ডলুং পর্বত অতিক্রম করে হোয়াংহো নদীর তীর বরাবর গড়ে উঠেছিল এই সভ্যতা। উত্তর চীনে বর্তমানে যে জাতীয় মানুষের বসবাস, প্রস্তর যুগেও তাদের আকার আকৃতিবিশিষ্ট জনগোষ্ঠীর বসতি ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তারা ব্যবহার করত পাথরের তৈরী ছুরি, তীরের ফলা, কুঠার ও হাড়ের তৈরি নানাধরণের অস্ত্রশস্ত্র। কাপড় বোনা ও মাটির পাত্র নির্মাণ পদ্ধতিও তাদের আয়ত্তে ছিল। চীনা সভ্যতা মূলত কৃষিভিত্তিক। এখানকার প্রাচীন জনগোষ্ঠী হোয়াংহো নদীর দু’পাশের উর্বর এলাকাজুড়ে চাষ করতো জব, গম, ধান ও নানা ধরনের শাকসবজি। পালন করতো বিভিন্ন জাতের পশু, তারা রেশমকীটের চাষাবাদ পদ্ধতিও জানত। এর সুতো দিয়ে তারা মজবুত ও সুন্দর বস্ত্রাদি বানাতো। খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দ পর্যন্ত চীনে বহু খণ্ড-বিখণ্ড রাষ্ট্রের অস্তিত্ব বিদ্যমান ছিল। এরা বিভিন্ন রাজবংশ ও তাদের শাসনামল দ্বারা বিভক্ত। খ্রিস্টপূর্ব ২২১ অব্দে যুদ্ধমান রাজ্যসমূহের বিভক্তি ও বিচ্ছিন্ন অবস্থার অবসান ঘটে। যুদ্ধোদ্যমের সর্বাত্মক সাফল্যের জন্য দিগি¦জয়ী মহাবীর শিহুয়াংতিকে চীনের নেপোলিয়ন বলা হয়ে থাকে। তিনি দেশকে মঙ্গোলীয়দের পৌণঃপুনিক আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য গড়ে তোলেন চার হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ প্রাচীর, যা চীনের মহাপ্রাচীর নামে খ্যাত এ প্রাচীর বিশ্বের প্রাচীন সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম। চীনারা খ্রিস্টিয় প্রথম শতকে আবিষ্কার করে কাগজ ও কম্পোজার। খ্রিস্টের জন্মের আগেই চীনের মাটিতে বারুদ ও খ্রিস্টিয় তৃতীয় শতকে মুদ্রণযন্ত্রের আবিষ্কার মানব সংস্কৃতি ও সভ্যতার বিকাশে প্রভূত অবদান রেখেছে। চীনে বহু বিশ্ব-বিশ্রুত মনীষী, ধর্মগুরু ও দার্শনিকের আবির্ভাব ঘটেছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন -কনফুসিয়াস, লাও-তসু ও সিনাৎসিয়ান। চীনা লোক কাহিনী, লোকগীতি ও পুরানকথার অনেক কিছুই কালজয়ী সাহিত্য কর্মের মর্যাদা অর্জন করেছে। প্রাচীন চীনা চিকিৎসকগণ বিভিন্ন ব্যাধি ও ক্ষত নিরাময়ের ভেষজ ও শল্য চিকিৎসা জানতেন। চীনা আকুপাংচার পদ্ধতি এখনো প্রচলিত। প্রাচীন চীনের ধর্ম ছিল অনেকটা অবিন্যস্ত ও অস্পষ্ট। নির্দিষ্ট ধর্মবিশ্বাস তাদের মধ্যে লক্ষ করা যায়নি। তাদের ধর্মীয় জগত স্বর্গীয়, প্রাকৃতিক ও আধ্যাত্মিক প্রভাবে প্রভাবিত ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সিন্ধু সভ্যতা :</strong><br />
সিন্ধু সভ্যতা বিশ্বের প্রাচীন সভ্যতার অন্যতম। খ্রিস্টের জন্মের আনুমানিক চার থেকে পাঁচ হাজার অব্দে এর গোড়াপত্তন হয়। সিদ্ধু সভ্যতার দুটি প্রধান কেন্দ্র বর্তমান পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলার মহেঞ্জোদারো এবং পাঞ্জারের ইরাবতী নদীর তীরে হরপ্পা। সিন্ধু সভ্যতার উৎপত্তি সিন্ধু নদীর তীরে, পরে তা পূর্ব ও দক্ষিণ দিকে বহুদূর বিস্তৃত হয়। বলা হয়, এটি ১৫ লক্ষ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত ছিল। এই সভ্যতার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্য লক্ষ করা যায় সুমেরীয় সভ্যতার। কৃষিকর্মের উন্নতি সত্ত্বেও এটি ছিল নগর ও বাণিজ্যভিত্তিক সভ্যতা। অনেকের ধারণা, চীন, সুমেরীয় ও মিশরের প্রাচীন সভ্যতার তুলনায় সিন্ধু সভ্যতা ছিল বেশি অগ্রসর ও উন্নত। মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পাতে খনন কাজ চালিয়ে পাওয়া গেছে উন্নত পয়ঃপ্রণালী ব্যবস্থা ও পোতাশ্রয়ের সন্ধান। সুপরিকল্পিত রাস্তাঘাট, আগুনে পোড়ানো ইট, পাথরের মন্দির, সমাধিস্থান ও শিক্ষায়তনের নিদর্শন ও পাওয়া গেছে এখানে। সিন্ধু সভ্যতায় ছিল সুবিন্যস্ত শাসন ব্যবস্থা এবং ছিল নিজস্ব চিত্রলিপি ও লিখন প্রণালী। ওদের পোশাক পরিচ্ছদের অন্তর্ভুক্ত ছিল কার্পাস সুতোর বস্ত্র, চাদর ইত্যাদি। দেহের শোভাবর্ধন করার জন্য তারা সোনা, রূপা, শঙ্খ ও মূল্যবান পাথরের অলঙ্কার, পশুর হাড়, হাতির দাঁতের চিরুনি, আয়না, ক্ষুর ইত্যাদি ব্যবহার করতো। সিন্ধু  সভ্যতার গোড়াপত্তন কারা করেছিল এ নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। নৃতাত্ত্বিক গবেষণায় এখানে প্রোটে অস্ট্রালয়েড মেডিটেরিনিয়ান, আলপাইন, ও মঙ্গোলয়েড জনগোষ্টীর কঙ্কাল পাওয়া গেছে। নৃতাত্ত্বিকদের ধারণা, মেডিটেরিনিয়ান বা দ্রাবিড় গোষ্ঠীই এ সভ্যতার প্রবর্তক। খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দের কাছাকাছি সময়ে আর্যদের আক্রমণে এ সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যায় বলে ধারণা করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>হিব্রু সভ্যতা :</strong><br />
হিব্রু সভ্যতার উৎস ভূমি মধ্যপ্রাচ্যে। এ সভ্যতা আজকের ফিলিস্তিন ও ইসরাইল অঞ্চল কেন্দ্রিক গড়ে ওঠেছিল। জাতিগত ভাবে হিব্রুরা ছিল একটি মিশ্রিত জাতি। কুটনীতি, স্থাপত্য এবং চিত্রকলার দিক থেকে হিব্রুরা সভ্যতার ইতিহাসে খুব অল্পই ভূমিকা রেখেছিল। কিন্তু নৈতিকতা ও ধর্মীয়ক্ষেত্রে বিশ্বসভ্যতায় হিব্রুদের অবদান ছিল যুগান্তকারী। হিব্রুদের মূল নামের উৎপত্তিগত শব্দ নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। প্রচলিত একটি মতে, খাবিরু বা হাবিরু  নাম থেকেই হিব্রু হয়েছে। হিব্রু অর্থ বিদেশী, নিম্নবংশীয় বা যাযাবর। অধিকাংশ পণ্ডিতের মতেই হিব্রুদের আদিবাস ছিল আরবভূমিতে। তাদের প্রথম বসতি গড়ে ওঠে উত্তর-পশ্চিম মেসোপটেমিয়াতে। সম্ভবত খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দে ইব্রাহীম                (আ:) এর নেতৃত্বে হিব্রুদের একটি দল এখানে বসতি গড়ে তোলে। পরবর্তীতে ইব্রাহীম (আ:) এর             ছেলে ইসমাইল (আ:) এর নেতৃত্বে পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়। এ সময় থেকে তারা ইসরাইলি হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।</p>
<p style="text-align: justify;">খ্রিস্টধর্মের পটভূমি তৈরিতে হিব্রুধর্মের ভূমিকাই ছিল বেশি। সৃষ্টিতত্ব, ঈশ্বরের একাত্ম, সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, আইনপ্রণেতা, ও পরম বিচারক হিসেবে ঈশ্বরের অবস্থান সম্পর্কিত বাইবেলের দুই তৃতীয়াংশে রয়েছে হিব্রু ধর্মের প্রভাব। আইন প্রণয়নেও হিব্রুদের অবদান রয়েছে। প্রাচীন কেনাইট ও ব্যাবিলনীয় আইনদ্বারা প্রভাবিত হয়ে হিব্রু আইন প্রণীত হয়েছিল। ওল্ড টেস্টামেন্ট থেকে হিব্রু আইনের বিভিন্ন ধারা জানা যায়। হিব্রু সাহিত্য প্রাচ্যের যে কোন প্রাচীন সাহিত্যের চেয়ে উৎকৃষ্ট ছিল। তাদের সাহিত্যে ধর্মের প্রভাব ছিল প্রবল। ওল্ড টেস্টামেন্ট মূলত বিভিন্ন সাহিত্য কর্মের সংকলন। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে হিব্রুদের তেমন অবদান নেই। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তারা কিছু অবদান রেখেছে। বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টে রোগ যন্ত্রনাকে ঈশ্বরের অভিশাপ বলা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গ্রীক সভ্যতা :<br />
মানব সভ্যতার ইতিহাসে যে ক’টি দেশের মানুষ তাদের উজ্জ্বল অতীতের জন্য ঈর্ষণীয় গৌরবের অধীকারী গ্রিকরা তাদের অন্যতম । গ্রিক নামটি রোমানদের দেয়া। গ্রিসে  জন্ম নিয়েছেন তাদের মধ্যে মহাকবি হোমার, জ্ঞানতাপস সক্রেটিস, স্থাপত্য-ভাস্কর্যের অবিস্মরণীয় দিকপাল ইকটিনাস ও ফিডিয়াস, রাজনীতি মঞ্চের অপ্রতিদ্বন্ধী কৌশলী থেমিস, টকলস, এরিস্টাইডিস ও পেরিক্লিস, সাহিত্যের অনির্বাণ জ্যোতিষ্ক সফোক্লিস, এরিস্টোফেলেস, ইউরিপাইডিস, দর্শনের শিখাগ্নী প্লেটো ও এরিস্টটল, ইতিহাসের জনক হেরোডোটাস, থুকিডিডিস প্রমুখ মনীষীর আবির্ভাব এই গ্রিক সভ্যতায়। শিল্প, বিজ্ঞান, ইতিহাস, দর্শন ও সাহিত্য প্রতিটি ক্ষেত্রে এর অবদান বিশ্ব সভ্যতায় উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করে আছে। এ সভ্যতার বিকাশ ও সমৃদ্ধিতে আকিয়ানসহ দোরিয়ান ও আয়োনিয়ানদের অবদান অনস্বীকার্য। খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ সাল নাগাদ তারা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে গ্রিসে প্রবেশ করতে শুরু করে। খ্রিস্টপূর্ব ১৬০০ থেকে ১১৩০ অব্দ সময়সীমার মধ্যে মিকোনাই, টিরিনস ও পিলস অঞ্চল বিকশিত হয় এক অগ্রসরমান ব্রোঞ্জ সভ্যতায়। গ্রীস সে সময় ছোট বড় কতগুলো স্বাধীন রাজ্যে বিভক্ত ছিল। গ্রীক সভ্যতা ও সংস্কৃতি অবিচ্ছেদ্যভাবে নগররাষ্ট্রের সঙ্গে জড়িত। এই সভ্যতা বিকাশ লাভ করে প্রথমে ইজিয়ান দ্বীপপুঞ্জে, এশিয়া মাইনরের ইজিয়ান উপকূলবর্তী শহরগুলোতে, এথেন্সে, তারপর সিসিলি, দক্ষিণ ইতালির গ্রিক উপনিবেশগুলোতে গ্রিকদের ধর্ম বিশ্বাস ছিল প্রবল। তাদের দেব-দেবীর সংখ্যাও ছিল অনেক। তাদের বিশ্বাস ছিল, এসব দেব-দেবী তাদের ভাগ্যের নিয়ন্তা। গ্রীক সভ্যতার শ্রেষ্ঠ কাল হচ্ছে খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চাশ শতক থেকে শুরু করে কয়েক দশক পর্যন্ত স্থায়ী এথেন্সে পেরিক্লিসের শাসনামল। এই সময় বিজ্ঞান, সাহিত্য, শিল্পকলা দর্শন সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চরম সাফল্য অর্জিত হয়। এথেন্স হয়ে ওঠে এই সভ্যতার পীঠস্থান। বিশ্ব সভ্যতার ক্ষেত্রে রঙমঞ্চ বা থিয়েটার প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক অবদান গ্রীকদেরই, ইতিহাস শাস্ত্রের সূচনা হয় প্রাচীন গ্রীস থেকেই। ষষ্ঠ শতাব্দীতে গ্রীক দর্শনের আনুষ্ঠানিক সূত্রপাত করেন আলেস। গণিত শাস্ত্রের সূচনা করে পিথাগোরাস অমর হয়ে আছেন। হিপোক্রেটিস চিকিৎসা শাস্ত্রকে কুসংস্কার মুক্ত করে বৈজ্ঞানিক ভিত্তির উপর দাঁড় করান।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>রোমান সভ্যতা :</strong><br />
রোমান সভ্যতা বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ সভ্যতা। রোম, গ্রীস, কার্থেক ও প্যালেস্টাইন সহ ভূমধ্যসাগর অঞ্চল জুড়ে বিদ্যমান সকল রাষ্ট্রকে এটি যেমন অধিকার করে, তেমনি অধিকৃত রাষ্ট্রসমূহের শিল্প সংস্কৃতি ও ধ্যান-ধারণা আত্মস্থ করে নিজস্ব অবদানে তা সমৃদ্ধও করে। বিশ্ব সভ্যতার ক্ষেত্রে রোমান সভ্যতার প্রধানতম অবদান রাজনৈতিক ও সরকার পরিচালনা ব্যবস্থা সংক্রান্ত রীতি পদ্ধতি। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে রোম শহরের পত্তন হয়। কালক্রমে টাইবার নদীর মোহনায় সাতটি পার্বত্য টিলাকে কেন্দ্র করে এই নগরীর বিস্তৃতি ঘটে। এই সাতটি নগরীকে নিয়ে পরে গড়ে তোলা হয় একটি একক নগররাষ্ট্র।<br />
খ্রিস্টপূর্ব ২৮০ অব্দ নাগাদ রোমানরা বিভিন্ন জাতির সমন্বয়ে স্বাধীন মিত্রদের একটি শক্তিশালী সংঘ গঠন করে। রোম সাম্রাজ্যকে সুসংহত ও বিস্তৃত করতে যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, তারা হলেন জুলিয়াস সিজার, পাম্পে দ্য গ্রেট, আউগুস্তুস ও তাইবেরুস। রোমেই প্রথম আবিষ্কৃত হয় কংক্রিট। ফলে বিশাল ও আড়ম্বরপূর্ণ দালান কোঠা, খিলান ও গম্বুজ নির্মাণ করা সম্ভব হয় রোমক ভাস্কর্য শিল্পও এই সমৃদ্ধ সভ্যতার অন্যতম পরিচায়ক। চিকিৎসকগণ ল্যাটিন ভাষায় ঔষুধ পত্রের যে সব নাম লিখে থাকেন, তার মূলে ও রয়েছে এই সভ্যতার অবদান। এছাড়া বছরের বার মাসের নাম এখনো রয়েই গছে ল্যাটিন ভাষাতেই। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রচলিত জার্জিয়ান ক্যালেন্ডারের জন্ম ও ইতালিতে ইউরোপ মহাদেশের প্রধান ভূখণ্ডের দেশগুলোতে আইনী ব্যবস্থার বিকাশে রোমক আইনের অবদান অপরিসীম। এখনো             দেশে দেশে রোমান আইন স্বতন্ত্র মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত। গোথ, হুন ও ভান্ডালদের পৌনঃপুনিক আক্রমণে ৪৭৬ খ্রিস্টাব্দে রোম সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।</p>
<div id="_mcePaste" style="overflow: hidden; position: absolute; left: -10000px; top: 1691px; width: 1px; height: 1px;">﻿</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশের উদ্ভিদ ও প্রাণীকুল: একটি পর্যালোচনা</title>
		<link>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a6-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a6-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 27 Jan 2010 13:20:30 +0000</pubDate>
		<dc:creator>কারেন্ট ইস্যু</dc:creator>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<category><![CDATA[উদ্ভিদ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রাণীকুল]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.currentissuebd.com/?p=1755</guid>
		<description><![CDATA[বাংলাদেশের উদ্ভিদ ও প্রাণী সম্পর্কে পর্যাপ্ত জীবাশ্ম তথ্য পাওয়া না গেলেও বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, টারশিয়ারী যুগে বাংলাদেশের অংশবিশেষ বিস্তৃত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অরণ্যের অন্তর্ভুক্ত। আবহাওয়ার দিক থেকে বিবেচনায় এ দেশকে তিন ঋতুতে ভাগ করা যায়; এদের মধ্যে গ্রীষ্মকাল- মার্চ হতে মে মাস, বর্ষাকাল- জুন হতে অক্টোবর এবং শীতকাল- নভেম্বর হতে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধরা হয়। এদেশের গড় তাপমাত্রা জানুয়ারি মাসে ১৭.৮ সেন্টিগ্রেড এবং এপ্রিল মাসে ২৬.৭ সেন্টিগ্রেড। এছাড়া অনেক সময় সেপ্টেম্বরেও দ্বিতীয়বারের মতো তাপমাত্রার বৃদ্ধি হয়। গ্রীষ্মের শুরুতে প্রতি বৎসরই উত্তর-পশ্চিম দিক হতে ঘণ্টায় প্রায় ৭৫ মাইল বেগে কালোবৈশাখী ঝড় প্রবাহিত ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><strong><a href="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/featured3-1.jpg"><img class="alignleft size-full wp-image-1757" style="margin-left: 8px; margin-right: 8px;" title="featured3-1" src="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/featured3-1.jpg" alt="" width="250" height="166" /></a></strong>বাংলাদেশের উদ্ভিদ ও প্রাণী সম্পর্কে পর্যাপ্ত জীবাশ্ম তথ্য পাওয়া না গেলেও বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, টারশিয়ারী যুগে বাংলাদেশের অংশবিশেষ বিস্তৃত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অরণ্যের অন্তর্ভুক্ত। আবহাওয়ার দিক থেকে বিবেচনায় এ দেশকে তিন ঋতুতে ভাগ করা যায়; এদের মধ্যে গ্রীষ্মকাল- মার্চ হতে মে মাস, বর্ষাকাল- জুন হতে অক্টোবর এবং শীতকাল- নভেম্বর হতে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধরা হয়। এদেশের গড় তাপমাত্রা জানুয়ারি মাসে ১৭.৮ সেন্টিগ্রেড এবং এপ্রিল মাসে ২৬.৭ সেন্টিগ্রেড। এছাড়া অনেক সময় সেপ্টেম্বরেও দ্বিতীয়বারের মতো তাপমাত্রার বৃদ্ধি হয়। গ্রীষ্মের শুরুতে প্রতি বৎসরই উত্তর-পশ্চিম দিক হতে ঘণ্টায় প্রায় ৭৫ মাইল বেগে কালোবৈশাখী ঝড় প্রবাহিত হয়। এর প্রভাবে উপকূলীয় উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতে প্রভুত ক্ষতি সাধিত হয়।           বর্ষার শুরুতেই প্রচুর বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এদেশের গড় বৃষ্টিপাত বাৎসরিক ৫০-২০০ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়।<span id="more-1755"></span></p>
<p style="text-align: justify;">টারশিয়ারি যুগের পরই বাংলাদেশের নিকটবর্তী অঞ্চলে গুপ্তবীজী উদ্ভিদের বেশ কিছু জীবাশ্ম আবিষ্কৃত হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>Flora (উদ্ভিদ)</strong><br />
বাস্তুসংস্থানিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশের উদ্ভিদ অঞ্চলকে নিম্নোক্ত উদ্ভিদ অঞ্চলে ভাগ করা যায় :</p>
<p style="text-align: justify;">১. গঙ্গা নদীর বিস্তীর্ণ সমভূমি অঞ্চল (The Gangetic Plane),<br />
২. চিরহরিৎ ও পত্রঝরা অরণ্যাঞ্চল (Evergreen and Semievergreen Forests),<br />
৩. পত্রঝরা অরণ্যাঞ্চল (Deciduous Forests) Ges<br />
৪. ম্যানগ্রোভ অরণ্যাঞ্চল (Mangrove Forests)|</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>গঙ্গা নদীর বিস্তীর্ণ সমভূমি অঞ্চল</strong><br />
প্রায় সমগ্র বাংলাদেশই একটি বিস্তীর্ণ সমভূমি। এছাড়া বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে কিছু অনুচ্চ পাহাড়, পর্বত ও টিলা বর্তমান। বিভিন্ন নদী ও এদের শাখা-প্রশাখা দেশের বুকে জালের মত ছড়িয়ে রয়েছে। আর এ বিস্তীর্ণ সমভূমি অঞ্চল  নদীগুলোর বিধৌত পলিমাটি দ্বারা গঠিত। এ অঞ্চলের উদ্ভিদসমূহকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যেমন জলজ উদ্ভিদ, অনাবাদি জমির উদ্ভিদ ও আবাদি ফসলসমূহ। বাংলাদেশে অসংখ্য বিল, হাওর, জলাশয় ও পুকুর বিদ্যমান। বর্ষার সময় এরা পানি দ্বারা পরিপূর্ণ থাকে এবং গ্রীষ্মের সময় আংশিক শুকিয়ে যায়। এ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী উদ্ভিদরাই জলজ উদ্ভিদ। এদের মধ্যে পাতা শ্যাওলা, পাতা ঝাঁকি, ঝাঁকি, Najas, Nitella এবং ভাসমান উদ্ভিদের মধ্যে কচুরীপানা, শাপলা, পদ্ম, কচুপানা, ক্ষুদিপানা,Salvinia, Pistia, গুড়িপানা ও সিংগারা ইত্যাদি প্রধান। হাওর, বিল, ঝিল ও পুকুরের কিনারায় স্যাঁতসেঁতে মাটিতে Arundo, Erianthus, Scirpus, কলমী, হেলেঞ্চা, sagitaria, Monochoria, Limnophila heterophylla, Spargonium, Alisma, কস্তুর, Limnocharis, Cyanotis, Murdania ও বিভিন্ন প্রজাতিরCommelina ইত্যাদি জন্মে থাকে।আবাদযোগ্য জমি ছাড়া বাড়ির আঙিনার আশ পাশে, রেললাইনের পার্শ্বে, রাস্তার ধারে, নদীর কিনারায় এবং অন্যান্য পরিষ্কার জায়গায় প্রচুর পরিমাণে ঔষধি, গুল্ম ও অন্যান্য উদ্ভিদের সমাবেশ বর্তমান। এ সকল উদ্ভিদের মধ্যে শ্বেতদ্রুন, ক্রোটন, Cassiatora, কলকাসুন্দা, Amaranthus viridis, কাঁটানটে, কাকমরিচ, কান্তিকরি, ধুতুরা, পানিমরিচ, হাতিশুড়, শিয়ালমতি, চারালতা, ভাট, মুক্তাঝুরি, কচু, ঘাঘড়া, রক্তদ্রুন ইত্যাদি প্রধান। এছাড়া খেজুর, সুপারি, তাল, নারিকেল, তেতুল, বট, জিকা, Zizyphus mauritians আকন্দ, বাবলা ইত্যাদি জন্মে থাকে। সমতল অঞ্চলে ধান, পাট ও বিভিন্ন প্রকার রবিশষ্য, সরিষা ইত্যাদি জন্মে। দেশের পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে চা, আনারস, জাম, আম, কাঁঠাল, সুপারি, কলা ও বাঁশ, বেত ইত্যাদি যথেষ্ট পরিমাণে জন্মে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>চিরহরিৎ ও পত্রঝরা অরণ্যাঞ্চল</strong><br />
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। উদ্ভিদসমূহ ৪৫-৬২ মিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হয়। এ জাতীয় বনে প্রায় ৭০০ প্রজাতির সপুষ্পক উদ্ভিদ রয়েছে। এ এলাকার উদ্ভিদসমূহকে চারভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-চিরহরিৎ, পত্রঝরা, বাঁশঝাড় ও তৃণক্ষেত্র। চিরহরিৎ বৃক্ষরাজির মধ্যে গর্জন, Artocarpus-sp, Tonaciliata, Bursera, swintonia floribunda, মেহগনি, কালিগর্জন, ধুলিগর্জন, সিভিট, কামদেব, রক্তন, শিরিষ, জারুল, অর্জুন, বট, কর্ক, অশোক, ধুপ, চালী, চুন্দাল, ফার্ণ, মস, অর্কিড জাতীয় ইপিফাইটাস বর্তমান। পত্রঝরা উদ্ভিদের মধ্যে সেগুন, চালতা, গামারি ও Terminalta এর বিভিন্ন প্রজাতি বিদ্যমান।</p>
<p style="text-align: justify;">পর্ণমোচি উদ্ভিদের মধ্যে পলাশ, হলুদ, বাজনা হারগোজা, কুসুম, উদাল, ঢেপাজাম, বহেড়াকুর্চি, হরীতকী পিতরাজ, সোনালু, আশার, আমলকী, আদাগাছ ইত্যাদি জন্মে । তৃণ জাতীয় উদ্ভিদের মধ্যে কাঞ্চনলতা, কুমারিলতা, গজপিজল, পানিলতা, Dioseorea species, শতমূলী, গিলালতা ইত্যাদি প্রধান।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>পত্রঝরা বনাঞ্চল</strong><br />
এ বনাঞ্চল দেশের মাঝামাঝি ও উত্তর অঞ্চলে অপেক্ষাকৃত শুকনা এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো রয়েছে। বেশির ভাগ বনাঞ্চল ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলার মাঝামাঝি হতে ঢাকা জেলার উত্তর অংশ নিয়ে ৬০ মাইল লম্বা ও ৫-২৫ মাইল চওড়া এলাকা নিয়ে গঠিত। এ বনের প্রধান বৃক্ষ শাল, এ জন্য এ বনগুলিকে সাধারণত শালবন বলে। নিম্নে কয়েকটি শালবনের উদ্ভিদ উল্লেখ করা হল :</p>
<p style="text-align: justify;">(ক) রাজেন্দ্রপুর শালবন : এ বনাঞ্চল ঢাকা হতে প্রায় ৫০ মাইল উত্তরে অবস্থিত। এ এলাকার উদ্ভিদের মধ্যে ৯৮ ভাগই শাল, তবে মিশ্রিত অবস্থায় আছে Phyllanthus embelica, Randia sp. Flacourtia sp. Eupatorium odoratum, Albizia, GQvov Desmodium sp. Stylosia scara baeoides, Moghania fruticulose ইত্যাদি লিগুম জাতীয় হার্ব ও Spatholobus roxburghii, Similax Xp, Dioseorea glabra and D. pertaphylla ইত্যাদি আরোহী জাতীয় এবং শাল বৃক্ষের উপর পরজীবী হিসাবে Loranthus দেখতে পাওয়া যায়। এ এলাকায় প্রচুর ফলের চাষ হয়। এ স্থানে যে সকল উদ্ভিদ দেখা যায় তাদের মধ্যে Artocarpus heterophyllus, Albizia sp, Salmalia malabarica, Grewia sp, Xanthoxylum budrunga,Ervatamia Coronaria, Roindia sp, Glycosmis arborea এবং বাঁশ প্রধান।</p>
<p style="text-align: justify;">(খ) চন্দ্রা অঞ্চল : এ অঞ্চল ঢাকা হতে ৩০ মাইল উত্তরে অবস্থিত। এর প্রধান বৃক্ষ শাল। এছাড়া মধ্যম স্তরের উদ্ভিদের মধ্যে Albizia procera, Fhyllanthus embelice, Eugenia sp., Aegle marmelos careya arborea Ges তৃতীয় স্তরের উদ্ভিদের মধ্যে curcuma sp., Antidesma ghaesembilla, Flacourtia. Sepiaria, Glycosmis arborea Glochidion sp., Hemidesmus indicus ইত্যাদি প্রধান। এছাড়া মাটির উপর আবরণীয় অবস্থায় Curculigo sp., Asparagus acerosus, Alysicarpus vaginalis, Atylosia scarabaeoides ইত্যাদি প্রধান।</p>
<p style="text-align: justify;">(গ) মধুপুর : টাঙ্গাইল জেলার পূর্বাংশ এবং ময়মনসিংহ জেলার দক্ষিণ-পূর্ব অংশ নিয়ে গঠিত। এর দৈর্ঘ ও প্রস্থ যথাক্রমে ৭০ ও ৩৫ মাইল এলাকা নিয়ে বিস্তৃত। এ এলাকার প্রধান উদ্ভিদ শাল এবং সহযোগী হিসেবে dillenia pentagyna, Terminalia sp., Phyllanthus embelica, Mallotus philippinensis, Mimosa, rubricaulis, Bouhinia sp., Glycomisarborea, Curcuma sp., Clerodendrum viscosum, Elephantopus scaber ইত্যাদি প্রধান।</p>
<p style="text-align: justify;">(ঘ) রাংটিয়া বনাঞ্চল : জামালপুর জেলার শেরপুরের ২০ মাইল উত্তরে অবস্থিত। প্রধান উদ্ভিদ শাল এবং সহযোগী উদ্ভিদের মধ্যে Terminalia belerica, Wood fordia malabarica ইত্যাদি। দ্বিতীয় স্তরের উদ্ভিদের মধ্যে Mallotus philippinesis প্রধান।<br />
(ঙ) বরেন্দ্র অঞ্চল : প্রধান উদ্ভিদ শাল ছাড়া Acacia nilotica, খয়ের, লিচু, তামাক, ইক্ষু ইত্যাদি।<br />
(চ) শালবন বিহার : শাল ছাড়া Syzygium cumini, Cassia siamea, Holarrihena antidysenterica ইত্যাদি।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল </strong></p>
<p style="text-align: justify;">এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত। মূল বন এলাকা হল সুন্দরবন। সুন্দরবনকে তিনটি অঞ্চলে ভাগ করা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">(ক) অলবণাক্ত অঞ্চল : এ অঞ্চলের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী, গেওয়া, কেওড়া, গোলপাতা, হারগোজা, Hibiscus tiliaceous, Bruguiera, Cynometra ramiflora Ges Amoora cucullota প্রধান।<br />
(খ) অনধিক লবণাক্ত অঞ্চল : Carapa moleocansis/পস্তর, খাপু, কেওড়া, গোলপাতা, Acanthus প্রধান উদ্ভিদ।<br />
(গ) লবণাক্ত অঞ্চল : গরান, ভেনা প্রধান উদ্ভিদ।</p>
<p style="text-align: justify;">উপরুক্ত উদ্ভিদ ছাড়া আরও কিছু কিছু লতা, গুল্ম, বীরুৎ উদ্ভিদের নাম উল্লেখ করা হল ভিণ্ডি, ঢেঁড়স, মুশকদানা, কারোকস্তরী, উলট কম্বল, রতি, ছানটি, কাইচ, ঝামিন, জয়া, নানিয়া পাট, খয়ের বাবুল, বনরিটা, কুচাই, আইলা, পাতা বাহার, বাজীনল, বচ মায়ানিল, বাওবার, বাসক, বাকস, নুনিয়া গাছ, বিশল্যকরণী, হোগলা, ভাতশোলা, মালতী, মালতী লতা, জলামুট, ফুলকুড়ি, মহানিমা, শিরিষ, করই, চাকুয়া, পিঁয়াজ, লালশাক, কলমি, ওলকচু, কাজু বাদাম, কদম ইত্যাদি।</p>
<p style="text-align: justify;">অনেক প্রজাতির উদ্ভিদ আজ ধ্বংসের পথে এবং অনেক প্রজাতি বিলীন হয়ে গেছে। উদ্ভিদ যেকোন দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্যে মোট আয়তনের ২৫% বনভূমি থাকা দরকার। কিন্তু বাংলাদেশের বনভূমির আয়তন মাত্র ১৭% ভাগ।</p>
<p style="text-align: justify;">বনভূমি হতে রেললাইনের স্লিপার, নৌকা, গৃহনির্মাণের সাজ-সরঞ্জাম, আসবাবপত্র, জ্বালানি ইত্যাদি কাজের জন্য কাঠ ব্যবহৃত হয়। এছাড়া কাগজকলের কাঁচামাল, দিয়াশলাই এর বক্স, রং প্রস্তুতে ব্যবহার হয়ে থাকে উদ্ভিদ। এছাড়া বনভূমি হতে প্রচুর পরিমাণে মধু ও মোম পাওয়া যায়। তাই বিদ্যমান বনভূমির উন্নয়ন এবং নতুন বনভূমি সৃষ্টি করা দরকার।<br />
উদ্ভিদের রোগ বালাই এর জন্য দায়ী কতগুলো প্রাণী ও বালাই মুখ্য হিসেবে কাজ করে থাকে। নিম্নে এগুলোর নাম প্রদত্ত হল পাতাফড়িং, কীটপতঙ্গ, Zeuzera Colfeae, Indarbela tetraonis, Argyroploce illepida, wমলিস্কেলস, জাব পোকা, পাতার উইভিল, Aeolsthes holoserica, লার্ভা, বাড, উইভিল, Monohammus versteegi ইত্যাদি প্রধান।<br />
Fauna (প্রানী)<br />
বাংলাদেশ উপউষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে নানা ধরনের বাস্তুসংস্থানিক পরিবেশ এখানে বিদ্যমান। এখানে দীর্ঘ উপকূল ভাগ, অসংখ্য নদ-নদী, খাল-বিল, দীঘি, হাওড়, পুকুর বিদ্যমান। কৃষি ও শিল্পের প্রসারণের কারণে বিগত দুই শতকে অনেক এলাকার মৌলিক বৈশিষ্ট্যময় উদ্ভিদের মূল প্রকৃতি এবং বাস্তুসংস্থানিক পরিবেশ বহুলাংশে পরিবর্তিত হয়েছে। ফলে দেশের প্রাণীকূল ও উদ্ভিদের উপর এর বিরূপ প্রভাব প্রতিফলিত হয়েছে। বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমার অভ্যন্তরে এক সময় চমৎকার প্রাণীকূলের সমাবেশ ছিল। এ দেশে প্রজাতির সংখ্যার দিক থেকে Coleoptera প্রাণীজগতের সবচেয়ে বড় পরিবার। সাধারণভাবে বিটল ও উইবিল নামে পরিচিত এসব কীটপতঙ্গের প্রায় ৩৫ প্রজাতির গোবুরে পোকা এবং প্রায় ৩০ প্রজাতির পাতাভুক স্ক্যারাব আছে এদেশে। প্রায় ৮০ প্রজাতির উপকারী এবং প্রায় ১৩ প্রজাতির ক্ষতিকর লেডিবার্ড বিটল এর তথ্য পাওয়া যায়। এশিয়া মহাদেশে প্রায় ২৮০ প্রজাতির জোনাকী পোকা জাতীয় বিটল এর কথা জানা গেলেও এদেশে আছে প্রায় ২০ প্রজাতির।<br />
এদেশে যেসব প্রাণী দেখা যায় তা নিম্নে উল্লেখ করা হল বাঘ, গণ্ডার, মহিষ, গরু, ছাগল, বুনো মহিষ, বনগরু, অ্যান্টিলোপ, বন ছাগল, হাঁস, মুরগী, বনমুরগী, নাকতা হাঁস, ময়ূর, কাঠময়ূর, চিকা, ইঁদুর, House shrew, Common Tree shrew, euv`yo, Fulvous Fruit Bat, Greater Mousetailed Bat, Leaf nosed Bat, Thick cared Bat, Tickell’s Bat, Bangla Barb, Indian Hatchet fish, Reba Carp, Bata Labeo, Black Rohu, Cotio, Olive Barb, Indian Trout, Rita rita, Ompok pobo, clupisoma garua পাঙ্গাশ, মাগুর, কৈ, ইলিশ, শোল, রূপচাঁদা, লাল চান্দা, Tila shol, Tara Baim, ব্যাঙ, পোটকা ব্যাঙ, পোনা ব্যাঙ, গেচু ব্যাঙ, কুমির, গড়িয়াল, কাছিম, Dhum Kasim, Simkasim, Jata Kasim, Rokto chosha, Anjon, Guishap, Phython, reticalate, sabujphoni-monosha, Daraj, Sabju dhora, kal Keotey, গোখরা, Viper shap, UlooBora, katmor, Raj Dhanesh, Lal trogon, কোকিল pencha, হুতুম পেচা, Dinkana, Hot-titi, panikta, গাঙচিল, ঈগল, শুকুন, বক, Hargila, Panga, Lajuk Banor, হনুমান, Liluk, Shial, Pati shial, Dhole, Khek shial, সোনালি বিড়াল, Leopard, Royal Bengal Tiger, Ud Biral, Bhalluk বাগডাসা হাতি, Sambar, সজারু, টিকটিকি, ইত্যাদি। Charadriiiformes বর্গের অন্তর্গত Charadriর উপবর্গের যেসব পাখি পিপি, রঙিলা, চ্যাগা, অয়েস্টার ভোজী, ঢেঙ্গা, সিল্ট, জোয়ালা, জোরালী স্টোন কারলিউ, প্রাটিনকোল, কালশির হট্টিটি, জিরিয়া, চা পাখি, কাঁদাখোচা, বিলাতি চাহা ইত্যাদি প্রধান।<br />
এদেশের মাছি জাতীয় পতঙ্গদের মধ্যে সাধারণ মাছি, স্টেবল মাছি, নীল মাছি, হভার ফ্লাই, ডিয়ার ফ্লাই, হর্সফ্লাই, ফলের মাছি, ব্লোফ্লাই, ক্রেন ফ্লাই ইত্যাদি দেখা যায়। বাংলাদেশের কিছু কিছু এলাকায় এসব মাছি কালাজ্বরের জীবাণু ছড়ায়। আজ পর্যন্ত বিশ্বে প্রায় ১৬০০ প্রজাতির মশার কথা জানা যায়। বাংলাদেশে আছে প্রায় ১১৩ প্রজাতির। এছাড়া এদেশে প্রায় ২২টি গোত্রের অধীনে ১৩৪গণ এবং প্রায় ৪০০ প্রজাতির মাকড়সা রয়েছে। স্বাদু ও লবণাক্ত পানির কাঁকড়া, চিংড়ি এবং লবস্টার এদেশে পাওয়া যায়। বঙ্গোপসাগরে প্রায় ২ প্রজাতির King Crab Penulirus Polyphagus এবং Thenus orientalis প্রজাতি বিদ্যমান। Dephnia, Cypris, Copepod প্রজাতির প্রায় ২০টি জুওপ্লাঙ্কটনের অস্তিত্ব এখানে আছে। বাংলাদেশের সমুদ্র থেকে তারামাছ, ডলার, সী আর্চিন এবং সী কিউকাম্বার রেকর্ড করা হয়েছে। আজ পর্যন্ত বিশ্বে মেরুদণ্ডী প্রাণীদের মধ্যে প্রায় ২২,০০০ প্রজাতির মাছ, ৫০০০ প্রজাতির পাখি এবং ৪৫০০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর কথা জানা যায়। বাংলাদেশে এসব প্রাণীর প্রায় ১৬০০ প্রজাতি আছে।<br />
বাংলাদেশে প্রায় মোট ৭০৮ প্রজাতির মাছ রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৬৬ প্রজাতি হল স্বাদু ও লোনা পানির এবং বাকী ৪৪২টি প্রজাতির সামুদ্রিক। এখানে প্রায় ২২ প্রজাতির উভচর, অভ্যন্তরীণ প্রাণীদের মধ্যে Anura বর্গের কুনো ব্যাঙ এবং কোলা ব্যাঙ বিদ্যমান। প্রায় ১২৬ প্রজাতির সরীসৃপের মধ্যে ১০৯ প্রজাতি অভ্যন্তরীণ এবং ১৭ প্রজাতি সামুদ্রিক প্রাণীগুলোর মধ্যে ২টি কুমির, ২২টি কচ্ছপ ও ফাইট্টা, ১৮টি টিকটিকি ও গুইসাপম এবং ৬৭টি সাপের প্রজাতি বিদ্যমান।<br />
বাংলাদেশের কয়েক প্রজাতির প্রজাপতি :<br />
Papilio demoleus, Graphium doson, Pachliota aristolochia, Chilasa Clytia, Appias alythea, Catopsilia, Limentis, Procris, cepora nerissa, Cethosia, Cyane, Loxura atymus প্রধান। প্রাণী জগত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।<br />
IUCN- Bangladesh মেরুদণ্ডী প্রাণীদের বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী দেশের প্রায় ৫৪ প্রজাতি অভ্যন্তরীণ মাছ হুমকির সম্মুখীন। ৮ প্রজাতির উভচর প্রাণী, ৫৮ প্রজাতির অভ্যন্তরীণ সরীসৃপ, ৪১ প্রজাতির স্থানীয় পাখি এবং ৪০ প্রজাতির আন্তঃদেশীয় স্তন্যপায়ী নানাভাবে হুমকিগ্রস্ত। এছাড়া আরও যেসব প্রজাতি বিলীনের পথে<br />
সেগুলো হলো- Venpu Bang, cheena Bang. Lat Cheena Bang. Potka bang, Sabuj Bang, Gach Bang, Lonapanir kumir, Ghot Kumir, Baro, Kaitta, Deeba Kasim, Lolo Kasim, Vaittal Kaitta, Tiktiki, Anjon, Gui shap, Sutanoli shap, Uranta shap, Daraj shap, Sabuj Dhora, Kukri, Kal keotey, Jati shop, Naga Gokhra, Padma Gokhra, Viper shap, Bora ulou Bora, Indur, Shujoru, Shashak ইত্যাদি। সংকলনে মহিবুল হাসান।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a6-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সাহিত্য, সিনেমা ও গল্পে মুক্তিযুদ্ধ</title>
		<link>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81/</link>
		<comments>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 27 Jan 2010 12:30:08 +0000</pubDate>
		<dc:creator>কারেন্ট ইস্যু</dc:creator>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<category><![CDATA[উপন্যাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওরা এগার জন্]]></category>
		<category><![CDATA[গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তিযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিনেমা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.currentissuebd.com/?p=1751</guid>
		<description><![CDATA[বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীন হয় এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে। এ স্বাধীনতাকে তরান্বিত করতে এবং চেতনাকে উজ্জ্বিবিত রাখতে বিভিন্ন সময়ে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে কিছু সিনেমা, উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ ইত্যাদি। সে সব কিংবদন্তি কিছু সিনেমা ও উপন্যাস এ সংখ্যায় উল্লেখ করা হল।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র






চলচ্চিত্রের নাম
সাল
পরিচালক


ওরা এগার জন
1972
চাষী নজরুল ইসলাম


অরুণোদয়ের 			অগ্নিসাক্ষী
1972
সুভাষ দত্ত


জয় বাংলা
1972
ফকরুল আলম


বাঘা বাঙালি
1972
আনন্দ


রক্তাক্ত বাংলা
1972
মমতাজ আলী


আবার তোরা মানুষ 			হ
1973
খান আতাউর রহমান


ধীরে বহে মেঘনা
1973
আলমগীর কবির


আমার জন্মভূমি
1973
আলমগীর কুমকুম


স্লোগান
1973
কবির আনোয়ার


সংগ্রাম
1974
চাষী নজরুল ইসলাম


আলোর মিছিল
1974
নারায়ণ ঘোষ মিতা


বাংলার ২৪ বছর
1974
আব্দুস সামাদ


সূর্যগ্রহণ
1976
আব্দুস সামাদ


কলমীলতা
1981
শহীদুল হক খান


চিৎকার
1982
মতিন রহমান


রূপালি সৈকত
1979
আলমগীর কবির


আগুনের পরশমণি
1994
হুমায়ূন আহমেদ


এখনো অনেক রাত
1997
খান আতাউর রহমান


হাঙ্গর নদী গ্রেনেড
1997
চাষী নজরুল ইসলাম


ইতিহাস কন্যা
1999
শামীম আখতার


জয়যাত্রা
2004
তৌকির ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><a href="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/smriti-shoudha.jpg"><img class="alignleft size-full wp-image-1772" style="margin-left: 8px; margin-right: 8px;" title="smriti-shoudha" src="http://www.currentissuebd.com/wp-content/uploads/2010/01/smriti-shoudha.jpg" alt="" width="200" height="128" /></a>বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীন হয় এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে। এ স্বাধীনতাকে তরান্বিত করতে এবং চেতনাকে উজ্জ্বিবিত রাখতে বিভিন্ন সময়ে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে কিছু সিনেমা, উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ ইত্যাদি। সে সব কিংবদন্তি কিছু সিনেমা ও উপন্যাস এ সংখ্যায় উল্লেখ করা হল।<span id="more-1751"></span></p>
<p><strong>মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র</strong></p>
<table border="1" cellspacing="0" cellpadding="4" width="100%" bordercolor="#000000">
<col width="103*"></col>
<col width="49*"></col>
<col width="105*"></col>
<tbody>
<tr valign="TOP">
<td width="40%"><strong>চলচ্চিত্রের নাম</strong></td>
<td width="19%"><strong>সাল</strong></td>
<td width="41%"><strong>পরিচাল</strong>ক</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">ওরা এগার জন</td>
<td width="19%">1972</td>
<td width="41%">চাষী নজরুল ইসলাম</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">অরুণোদয়ের 			অগ্নিসাক্ষী</td>
<td width="19%">1972</td>
<td width="41%">সুভাষ দত্ত</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">জয় বাংলা</td>
<td width="19%">1972</td>
<td width="41%">ফকরুল আলম</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">বাঘা বাঙালি</td>
<td width="19%">1972</td>
<td width="41%">আনন্দ</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">রক্তাক্ত বাংলা</td>
<td width="19%">1972</td>
<td width="41%">মমতাজ আলী</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">আবার তোরা মানুষ 			হ</td>
<td width="19%">1973</td>
<td width="41%">খান আতাউর রহমান</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">ধীরে বহে মেঘনা</td>
<td width="19%">1973</td>
<td width="41%">আলমগীর কবির</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">আমার জন্মভূমি</td>
<td width="19%">1973</td>
<td width="41%">আলমগীর কুমকুম</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">স্লোগান</td>
<td width="19%">1973</td>
<td width="41%">কবির আনোয়ার</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">সংগ্রাম</td>
<td width="19%">1974</td>
<td width="41%">চাষী নজরুল ইসলাম</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">আলোর মিছিল</td>
<td width="19%">1974</td>
<td width="41%">নারায়ণ ঘোষ মিতা</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">বাংলার ২৪ বছর</td>
<td width="19%">1974</td>
<td width="41%">আব্দুস সামাদ</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">সূর্যগ্রহণ</td>
<td width="19%">1976</td>
<td width="41%">আব্দুস সামাদ</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">কলমীলতা</td>
<td width="19%">1981</td>
<td width="41%">শহীদুল হক খান</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">চিৎকার</td>
<td width="19%">1982</td>
<td width="41%">মতিন রহমান</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">রূপালি সৈকত</td>
<td width="19%">1979</td>
<td width="41%">আলমগীর কবির</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">আগুনের পরশমণি</td>
<td width="19%">1994</td>
<td width="41%">হুমায়ূন আহমেদ</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">এখনো অনেক রাত</td>
<td width="19%">1997</td>
<td width="41%">খান আতাউর রহমান</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">হাঙ্গর নদী গ্রেনেড</td>
<td width="19%">1997</td>
<td width="41%">চাষী নজরুল ইসলাম</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">ইতিহাস কন্যা</td>
<td width="19%">1999</td>
<td width="41%">শামীম আখতার</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">জয়যাত্রা</td>
<td width="19%">2004</td>
<td width="41%">তৌকির আহমেদ</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">শ্যামল ছায়া</td>
<td width="19%">2004</td>
<td width="41%">হুমায়ূন আহমেদ</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">মেঘের পরে মেঘ</td>
<td width="19%">2005</td>
<td width="41%">চাষী নজরুল ইসলাম</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">ধ্রুবতারা</td>
<td width="19%">2006</td>
<td width="41%">চাষী নজরুল ইসলাম</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="40%">জাগো</td>
<td width="19%">2009</td>
<td width="41%">খিজির হায়াত</td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><strong>মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চিত্র</strong></p>
<table border="1" cellspacing="0" cellpadding="4" width="351" bordercolor="#000000">
<col width="124"></col>
<col width="42"></col>
<col width="160"></col>
<tbody>
<tr valign="TOP">
<td width="124"><strong>চলচ্চিত্রের নাম</strong></td>
<td width="42"><strong>সাল</strong></td>
<td width="160"><strong>পরিচালক</strong></td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124"></td>
<td width="42"></td>
<td width="160"></td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">Stop Genocide</td>
<td width="42">1971</td>
<td width="160">জহির রায়হান</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">A State is 			Born</td>
<td width="42">1972</td>
<td width="160">জহির রায়হান</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">A State in 			Born</td>
<td width="42">1971</td>
<td width="160">জহির রায়হান</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">Liberation 			Fighters</td>
<td width="42">1971</td>
<td width="160">আলমগীর কবির</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">Innocent 			Millions</td>
<td width="42">1971</td>
<td width="160">বাবুল চৌধুরী</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">মুক্তির গান 			(বাংলা)</td>
<td width="42">1995</td>
<td width="160">তারেক মাসুদ ও 			ক্যাথেরিন মাসুদ</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">মুক্তির কথা</td>
<td width="42">1995</td>
<td width="160">তারেক মাসুদ ও 			ক্যাথেরিন মাসুদ</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">স্মৃতি’৭১</td>
<td width="42">1991</td>
<td width="160">তানভীর মোকাম্মেল</td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><strong>মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র</strong></p>
<table border="1" cellspacing="0" cellpadding="4" width="268" bordercolor="#000000">
<col width="124"></col>
<col width="126"></col>
<tbody>
<tr valign="TOP">
<td width="124"><strong>চলচ্চিত্রের নাম</strong></td>
<td width="126"><strong>পরিচালক</strong></td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">একাত্তরের যীশু</td>
<td width="126">নাসিরউদ্দিন 			ইউসুফ</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">নদীর নাম মধুমতি</td>
<td width="126">তানভীর মোকাম্মেল</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">হুলিয়া</td>
<td width="126">তানভীর মোকাম্মেল</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">প্রত্যাবর্তন</td>
<td width="126">মোস্তফা কামাল</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">পতাকা</td>
<td width="126">এনায়েত করিম বাবুল</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">আগামী</td>
<td width="126">মোরশেদুল ইসলাম</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">দুরন্ত</td>
<td width="126">খান আখতার হোসেন</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">একজন মুক্তিযোদ্ধা</td>
<td width="126">দিলদার হোসেন</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">নীল দংশন</td>
<td width="126">সুমন আহম্মেদ</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">ধূসর যাত্রা</td>
<td width="126">আবু সায়ীদ</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">বখাটে</td>
<td width="126">হাসিবুল ইসলাম 			হাবিব</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">আমরা তোমাদের 			ভুলবনা</td>
<td width="126">হারুনুর রশীদ</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">শরৎ একাত্তর</td>
<td width="126">মোরশেদুল ইসলাম</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124"></td>
<td width="126"></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p><strong>মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস</strong></p>
<table border="1" cellspacing="0" cellpadding="4" width="269" bordercolor="#000000">
<col width="124"></col>
<col width="127"></col>
<tbody>
<tr valign="TOP">
<td width="124"><strong>উপন্যাস</strong></td>
<td width="127"><strong>রচয়িতা</strong></td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">আরেক ফাল্গুন</td>
<td width="127">জহির রায়হান</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">আগুনের পরশমনি</td>
<td width="127">হুমায়ুন আহমেদ</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">জাহান্নাম হতে 			বিদায়</td>
<td width="127">শওকত ওসমান</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">জন্ম যদি হয় বঙ্গে</td>
<td width="127">শওকত ওসমান</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">দুই সৈনিক</td>
<td width="127">শওকত ওসমান</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">নেকড়ে অরণ্য</td>
<td width="127">শওকত ওসমান</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">রাইফেল রোটি আওরাত</td>
<td width="127">আনোয়ার পাশা</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">নীল দংশন</td>
<td width="127">সৈয়দ শামসুল হক</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">খাঁচায়</td>
<td width="127">রশীদ হায়দার</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">দেয়াল</td>
<td width="127">আবু জাফর সামসুদ্দিন</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">বিধ্বস্ত রোদের 			ঢেউ</td>
<td width="127">সরদার জয়েনউদ্দিন</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">মুক্তিযুদ্ধের 			উপন্যাস সমগ্র</td>
<td width="127">আমজাদ হোসেন</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">হাঙ্গর নদী গ্রেনেড</td>
<td width="127">সেলিনা হোসেন</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">কাঁটাতারে বেড়া</td>
<td width="127">সেলিনা হোসেন</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">এক প্রজন্মের 			সংলাপ</td>
<td width="127">নুর মোহাম্মদ 			মোল্লা</td>
</tr>
<tr valign="TOP">
<td width="124">উপমহাদেশ</td>
<td width="127">আল মাহমুদ</td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p>(চলবে)</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.currentissuebd.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
