২৫ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করুন
২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সেনাকর্মকর্তাদের নৃসংশভাবে হত্যার ঘটনায় গোটা জাতি শোকে মুহ্যমান।
এখনো পর্যন্ত এই হত্যাকান্ডকে অবাস্তব বলে মনে হচ্ছে। পৃথিবীর ইতিহাসে বিনা বাধায় এতগুলো সেনাকর্মকর্তা এক সাথে নিহত হবার ঘটনা আর নেই। তাই এ ঘটনা যে শুধু দেশের জন্য এক কলংকিত অধ্যায় তা নয় বরং বিশ্বব্যাপী সামরিক জগতের এক বিস্ময়কর ট্রাজেডি হয়ে থাকবে। এ ঘটনায় আমরা যেসব দেশপ্রেমিক সেনাকর্মকর্তাদের হারিয়েছি তা কখনো পুরণ হবার নয়। তাদেরকে জাতি চিরদিন স্মরণ করবে। আর নির্মম এই হত্যাকান্ডের ষড়যন্ত্রকারীরা ধরা পড়ুক আর নাই পড়ুক মানব ইতিহাসে তারা চির ঘৃনিত হিসব বিবেচিত হবে। যেসব সেনাকর্মকর্তারা নিহত হয়েছেন আমরা তাদের সেল্যুট জানাই। আমরা বুক ফুলিয়ে বলতে পারবো আমাদের বীর সন্তানদের সম্মুখে এসে দাড়ানোর মত সাহস ওই কাপুরুষদের হয়নি। তাই নিরস্ত্র অবস্থায় তাদের উপর অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা নিজেদেরকে ঘৃণার পাত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করল। কিন্তু আমরা আমাদের হারিয়ে যাওয়া সেনাকর্মকর্তাদের স্মৃতিকে চিরদিনের জন্য লালন করতে চাই। পৃথিবীর ইতিহাসে এর চেয়ে অনেক ছোট ছোট ঘটনাকেও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাসীন করা হয়েছে। আমরা চাই পিলখানা ট্রাজেডিকে একটি রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেয়া হোক। প্রকৃতপক্ষে ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতির জন্য যে শোকের দিন তাতে কোন সন্দেহ নেই। তাই সরকারের কাছে আবেদন ২৫ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করা হোক।
আছাদুল ইসলাম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়









আপনার পক্ষে যদি প্রতিদিন এই সাইটে আসা সম্ভব না হয়, তাহলে আপনি আমাদের
২৫ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করা হোক।
এই লেখা সম্পর্কে আপনার মতামত দিন!