রেলওয়ে নিয়োগ টিপস
বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীনে বিভিন্ন পদের জন্য প্রায় ২৪০০ লোকবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি গত ১১.০৫.২০০৯ তারিখে
আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। বিভিন্ন পদের জন্য প্রদত্ত পরীক্ষা পদ্ধতি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ওয়েম্যান, ট্রেড অ্যাপ্রিন্টিস এবং গেইট কিপার/ ইঞ্জিনিয়ার- এর ক্ষেত্রে কোনো লিখিত পরীক্ষা হবে না। তবে ৫০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা হবে যেখানে সাধারণ জ্ঞান ২৫, বুদ্ধিমত্তায় ২০ এবং বিশেষ যোগ্যতায় (খেলাধুলা স্কাউট ইত্যাদি) ৫ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। অন্যদিকে বুকিং সহকারী গ্রেড ২, পার্সেল সহকারী গ্রেড- ২ এবং অ্যাসিসস্যান্টি সাব ইন্সপেক্টর এর ক্ষেত্রে মোট ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষা (বাংলা – ২০, ইংরেজি – ২০, সাধারণ জ্ঞান – ২০, গণিত – ২০) এবং মৌখিক পরীক্ষা ২০ (সাধারণ জ্ঞান – ১০ এবং বুদ্ধিমত্তা – ১০) নম্বর বরাদ্দ থাকবে, যা হুবহু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের নতুন পদ্ধতির অনুরূপ। তাই এ বিভাগে আমরা শুধু রেলওয়ে সংক্রান্ত প্রশ্ন এবং মৌখিক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করছি।
* রেলের ট্রাকে স্পর্শ ব্যতীত (চুম্বকের সাহায্যে) ট্রেন চলার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন – বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. আতাউল করিম।
* বাংলাদেশ রেলওয়ে গভর্নমেন্ট ইন্সপেক্টরের (জিআইবিআর) নাম – মো: আবু তাহের।
* হার্ডিঞ্জ ব্রীজের অপর নাম – সারা ব্রীজ।
* হার্ডিঞ্জ ব্রীজের (সেতুর)স্প্যান হলো – ১৫টি।
* প্রথম রেলপথে যাত্রী পরিবহন শুরু হয় – ১৮৩০ সালে সাউথ ক্যারোলিনা রেলপথে।
* জাপানে রেল ব্যবস্থা চালু হয় – ১৮৭০ সালে।
* রেল সংক্রান্ত প্রথম আইন পাস হয় – যুক্তরাষ্ট্রে ১৮৮৭ সালে (আইনটির নাম ফেডারেল রেগুলেশন অব রেল রোড)
* কুষ্টিয়া-গোয়ালন্দ রেলপথ নির্মাণ করেন – ইংরেজ সরকার।
* সুবর্ণ এক্সপ্রেস কবে, কোন্ রুটে চালু হয়? – ১৪ এপ্রিল, ১৯৯৮; ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে।
* বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা-রাজশাহী চালুকৃত নতুন আন্ত:নগর ট্রেনের নাম – বনলতা ও সিল্কসিটি।
* ঢাকা-খুলনা রেলপথে চালুকৃত আন্ত:নগর ট্রেনের নাম – সুন্দরবন এক্সপ্রেস।
* ঢাকা-লালমনিরহাট রুটে চালু নতুন ট্রেনটির নাম – লালমনি এক্সপ্রেস।
* ঢাকা-দিনাজপুর রুটে চালু নতুন ট্রেনটির নাম – দ্রুতযান এক্সপ্রেস (চালু ২৫ জুন, ২০০৫) ।
* বেনাপোল-পেট্রোপোল হলো – বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল পথ।
* ঢাকা ও টঙ্গীর মধ্যে শাটলট্রেন চালু হয় – ১ সেপ্টেম্বর, ২০০২।
* স্টিম ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন – রিচার্ড টিভিটিক, জন ব্লেন কিনসপ, উইলিয়াম হ্যাডলি। এরা সবাই ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ার।
* ঊনবিংশ শতাব্দীতে ইউরোপে শিল্প বিপ্লব সফল হওয়ার ক্ষেত্রে বিরাট অবদান রেখেছিল – রেলওয়ে যোগাযোগ মাধ্যম।
* দেশের বেসরকারি ট্রেন সার্ভিসের নাম – সুবর্ণ এক্সপ্রেস (১৯৯৮ সালে চালু, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত)
* ঢাকা লাইনে ট্রেন চালু হয়েছে – পদ্মা, বনলতা ও সিল্কসিটি ট্রেন সার্ভিস।
* ইউনেস্কো ভারতের যে স্টেশনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা করে – দার্জিলিং-এর ‘ঘুম’ স্টেশনকে।
* পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে (দিল্লী-লাহোর এর মধ্যে) যোগাযোগ রক্ষাকারী ট্রেনটির নাম ছিল - সমঝোতা এক্সপ্রেস।
* ব্রডগেজ রেলপথ অবস্থিত – খুলনা ও রাজশাহী বিভাগে এবং ঢাকা বিভাগের ফরিদপুর ও রাজবাড়ী জেলার সামান্য অংশে।
* বাংলাদেশে মিটারগেজ রেলপথ চালু হয় – ১৮৭৪ থেকে ১৮৭৯ সালের মধ্যে সাড়া থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত, নর্দার্ন বেঙ্গল স্টেট রেলওয়ের অধীনে, প্রথম মিটার গেজ রেলপথ চালু হয়।
* বাংলাদেশে প্রচলিত রেলপথ – তিন ধরনের; ব্রডগেজ, মিটারগেজ, ডুয়েলগেজ।
* সরকারি মালিকানায় দেশের সর্ববৃহৎ ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি – বাংলাদেশ রেলওয়ে।
* রাশিয়া ও মধ্য এশিয়াকে সংযুক্ত করেছে – ট্রান্স কাস্পিয়ান রেলপথ।









আপনার পক্ষে যদি প্রতিদিন এই সাইটে আসা সম্ভব না হয়, তাহলে আপনি আমাদের
বাজে লেখা। মান খুব খারাপ।
এই লেখা সম্পর্কে আপনার মতামত দিন!