প্রথম পাতা » মিডিয়া

মিডিয়া ইস্যু

বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ফার ইস্টার্ন ইকোনমিক রিভিউ

এশিয়ার বহুল পরিচিত সংবাদ সাময়িকী ফার ইস্টার্ন ইকোনমিক রিভিউ আগামী ডিসেম্বরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সাময়িকীটি চালু Far Eastern Economicহওয়ার পর প্রায় ৬৩ বছর ধরে এশিয়ার নীতি-নির্ধারক, রাজনৈতিক পণ্ডিত এবং সমাজপতিদের অবশ্যপাঠ্য হিসেবে সমাদৃত হয়ে আসছিল। কিন্তু বিশ্বব্যাপী সংবাদ মাধ্যমে যে পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে তার ধকল সামলাতে ব্যর্থ হওয়ায় এখন তার এই অপমৃত্যু ঘটতে চলেছে। ফার ইস্টার্ন ইকোনমিক রিভিউর প্রকাশনা বন্ধ হওয়ার মাধ্যমে এশিয়ার সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি অধ্যায়ের ইতি ঘটতে চলেছে।
নিউজ কর্পোরেশনের মালিকদের মতে, সাময়িকীটির বিক্রি ও বিজ্ঞাপন আয় কমে যাওয়ায় তাদের এ সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। সংবাদ সাময়িকীটি প্রকাশিত হয় হংকং থেকে। চল্লিশের দশকে সাদাকালো পত্রিকা হিসেবে খুব সীমিত সংখ্যায় প্রকাশনার মাধ্যমে যে ফার ইস্টার্ন ইকোনমিক রিভিউ যাত্রা শুরু করেছিল, আশির দশক নাগাদ তা বড় আকারের অবশ্যপাঠ্য এক সাময়িকীতে পরিণত হয়। এশিয়ার রাজনীতি, ব্যবসা এবং সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকেই এর পাঠক ছিলেন।
তবে পত্রিকাটি ২০০৪ সালে বাংলাদেশকে নিয়ে ‘কুকন অব টেরর’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে সমালোচিত হয়। প্রতিবেদনটি ছিল কাল্পনিক তথ্যে ভরা।
নব্বইয়ের দিকে পত্রিকাটি নতুন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়ে। তখন এর মালিকানা কিনে নেয়  ডাও জোনস কো¤পানি এবং পত্রিকাটি জীবনযাত্রার নানা দিক বা লাইফ স্টাইল নিয়ে নিবন্ধ প্রকাশ করতে শুরু করে। তাতে করে অবশ্য রিভিউ-এর অনুগত পাঠকের অনেকেই ক্ষুব্ধ হন এবং প্রতিবাদ জানান। ডাও জোনস তখন সাপ্তাহিক এই পত্রিকাটিকে মাসিক সাময়িকীতে রূপান্তর করে ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন অ্যাফেয়ার্স ম্যাগাজিনের আদলে বের করতে শুরু করে। পত্রিকাটির মালিকানা নিউজ কর্পোরেশনের কর্ণধার বিশ্বব্যাপী মিডিয়া মোঘল  রূপাট মারডক।

নতুন ১০টি বেসরকারি টিভি চ্যানেল অনুমতি পাচ্ছে

সরকার নতুন করে ১০টি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে। এসব চ্যানেলের কারিগরি DigantaTVদক্ষতা, আর্থিক সংশ্লিষ্টতায় কারা জড়িত, আর্থিক উৎস কী জানাতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীদের সরকার প্রাথমিকভাবে চ্যানেল পরিচালনায় অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।  নতুন টিভি চ্যানেলগুলো হচ্ছে-

টিভি চ্যানেল         মালিক
ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি    সালমান এফ রহমান
বিজয় টিভি              এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী
এটিএন নিউজ          ড. মাহফুজুর রহমান ও  সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম
একাত্তর টিভি           মোজাম্মেল বাবু
এস টিভি                ব্রি. জে. (অব.) সৈয়দ শাফায়েত ইসলাম
সময় টিভি              মোরশেদুল ইসলাম
জিটিভি                  গাজী গোলাম দস্তগীর এমপি
মাই টিভি               নাসির উদ্দিন সাথী ও বিলকিস জাহান
চ্যানেল ৫২            কামাল মজুমদার এমপি
যমুনা টিভি            নূরুল ইসলাম বাবুল

দেশের বর্তমান টেলিভিশন চ্যানেল

নাম                     কার্যক্রম শুরু
বিটিভি                  ২৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৪
বিটিভি ওয়ার্ল্ড        ১১ এপ্রিল, ২০০৪
এটিএন বাংলা        ১৫ জুলাই, ১৯৯৭
চ্যানেল আই          ১ অক্টোবর, ১৯৯৯
একুশে টিভি          ১০ মে, ২০০০
এনটিভি                ৩ জুলাই, ২০০০
বাংলাভিশন           ২৫ ডিসেম্মর, ২০০৫
আরটিভি              ২৬ ডিসেম্বর, ২০০৫
বৈশাখী টিভি          ২৯ ডিসেম্বর, ২০০৫
চ্যানেল ওয়ান        ২৪ জানুয়ারি, ২০০৬
ইসলামিক টিভি       ১৪ এপ্রিল, ২০০৭
দেশ টিভি              ১৫ মে, ২০০৭
দিগন্ত টিভি              ৫ অক্টোবর, ২০০৭

ষষ্ঠ বর্ষে আমার দেশ

২৩ সেপ্টেম্বর দৈনিক আমার দেশ প্রকাশনার  ৫ বছর পূর্ণ করলো। প্রায় ৯ মাসের গ্রাউন্ডওয়ার্ক শেষে ডামি, পূর্ণাঙ্গ কাগজ পাঠকের হাতে তুলে দিয়ে ২০০৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আমার  দেশ-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হয়েছিল। ২০০৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বিএসইসি ভবনে অগ্নিকাণ্ড ঘটে।  এর মধ্যে গত বছর অক্টোবরে দৈনিক আমার দেশ নতুন মালিকানা ও নতুন ব্যবস্থাপনায় আসার পর নতুন উদ্দীপনায় নতুনভাবে পাঠকের সামনে হাজির হয় এ পত্রিকাটি।

বুশকন্যা টিভি রিপোর্টার

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুশের মেয়ে জেনা হগারকে একটি মার্কিন টেলিভিশন রিপোর্টার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। জেনা মাসে একবার টিভির সকালের সংবাদ প্রোগ্রামে শিক্ষার মত কিছু বিষয়ে সংবাদ পাঠাবেন। বাল্টিমোরের ২৭ বছর বয়সী শিক্ষিকা জেনা বলেন, তিনি সবসময় শিক্ষক এবং লেখক হতে চেয়েছেন। তিনি ইতোমধ্যে দুটো বইও লিখেছেন। তবে টেলিভিশনে কাজ করার ব্যাপারে টিভি কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করলে তিনি এ সম্পর্কে আগ্রহী হন। টিভি সাংবাদিকতায় সম্পৃক্ত হওয়ায় জেনাকে সাংবাদিকতা ও স্কুল শিক্ষকতা মিলিয়ে দুটি খণ্ডকালীন কাজ করতে হবে।

বই লিখে বিশ্ব রেকর্ড

ভারতের বিখ্যাত সাংবাদিক ও কলাম লেখক ইয়াসিন দালাল কেবল সাংবাদিকতার উপর ৬৫ টি বই লিখে জায়গা করে নিয়েছেন ‘লিমকা বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস’এ। ১৯৭৩ সালে সৌরাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগে যোগদানের পরই তিনি সাংবাদিকতার উপর নানা বই লিখতে শুরু করেন।

একটি মন্তব্য »

  • Sagir Hussain Khan বলেছেনঃ

    িলখাগুলো অনেক বেশি ছোট। আরো কিছু লিখলে ভালো লাগতো।

এই লেখা সম্পর্কে আপনার মতামত দিন!

এখানে আপনি মন্তব্য করতে পারেন অথবা আপনার সাইট থেকেই ট্র্যাকব্যাক করতে পারেন। এছাড়াও আপনি আরএসএস এর মাধ্যমে কমেন্ট ফিড পেতে পারেন।

দয়া করে মন্তব্য করার সময় প্রাসঙ্গিক থাকুন।

মন্তব্য করার জন্য আপনি নিন্মোক্ত ট্যাগগুলো ব্যবহার করতে পারেন:
<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

এই সাইটটি গ্রাভাটার-এনাবল্ড। . আপনার এভাটার পেতে রেজিস্টার করুনগ্র্যাভাটার ডট কম-এ.