ক্রীড়া প্রবাহ ২০০৯
ফুটবল
ফ্লপ অব দ্য ইয়ার
জুভেন্টাসের ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ফিলিপ মেলো এ বছরের ফপ অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হয়েছেন। রাই ২ রেডিওর ক্যাটারস্পোর্ট প্রোগ্রামে শ্রোতাদের দেয়া ভোটে ফিলিপ মেলো এ খেতাব পান। এ খেতাব ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার রিভালডো ২০০৩ সালে এবং আদ্রিয়ানো ২০০৬ ও ২০০৭ পেয়েছিলেন ।
ফিফা বর্ষসেরা’০৯
ফিফার পুরস্কার বিজয়ীরা
ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড় : লিওনেল মেসি
ফিফা বর্ষসেরা মহিলা খেলোয়াড় : মার্তা (টানা চতুর্থবার)
পুসকাস পুরস্কার (সেরা গোল) : ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
ফেয়ার পে- পুরস্কার : ববি রবসন (ইংল্যান্ড)
প্রেসিডেন্সিয়াল পুরস্কার : জর্ডানের রানী রানিয়া আল আবদুল্লাহ
গত দশ বছরের ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার
২০০৯ : মেসি (আর্জেন্টিনা), বার্সেলোনা
২০০৮ :রোনালদো (পর্তুগাল), ম্যানইউ
২০০৭ :কাকা (ব্রাজিল), এসি মিলান
২০০৬ :ক্যানাভারো (ইতালি), রিয়াল মাদ্রিদ
২০০৫ :রোনালদিনহো (ব্রজিল), বার্সেলোনা
২০০৪ :রোনালদিনহো (ব্রাজিল), বার্সেলোনা
২০০৩ :জিদান (ফ্রান্স), রিয়াল মাদ্রিদ
২০০২ :রোনালদো (ব্রাজিল), রিয়াল মাদ্রিদ
২০০১ :ফিগো (পর্তুগাল), রিয়াল মাদ্রিদ
২০০০ :জিদান (ফ্রান্স), জুভেন্টাস
ফিফা বিশ্ব একাদশ
গোলরক্ষক : আইকের ক্যাসিয়াস (স্পেন)।
রক্ষণভাগ : ড্যানি আলভেস (ব্রাজিল), প্যাট্রিস ইভরা (সেনেগাল), জন টেরি (ইংল্যান্ড), নেমাঞ্জা ভিডিচ (যুগোস্লাভিয়া)।
মাঝ মাঠ : স্টিভেন জেরার্ড (ইংল্যান্ড), জাভি হার্নান্দেজ (স্পেন), ইনিয়েস্থা ( স্পেন)।
আক্রমণভাগ : লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা), ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল) ও ফার্নান্দো টোরেস (স্পেন)।
ব্যালন ডি’অর জয়ী প্রথম আর্জেন্টাইন
প্রথম আর্জেন্টাইন হিসাবে ব্যালন ডি’অর জয় করলেন বার্সেলোনা তারকা লিওনেল মেসি। এর আগে আরো দু’জন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন। ১৯৫৭ এবং ১৯৫৯ সালে আলফ্রেডো ডি স্টেফানো স্প্যানিশ জাতীয়তা নিয়ে এবং ১৯৬১ সালে ওমর সিভরি ইতালিয়ান জাতীয়তা নিয়ে ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন। মেসিই প্রথম আর্জেন্টিনার হয়ে ব্যালন ডি’অর জয় করলেন। ব্যালন ডি’অর পদকের প্রবর্তনকারী ‘ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিন’- এর পক্ষ হতে ১ ডিসেম্বর ২০০৯ সালের সেরা খেলোয়াড় হিসাবে লিওনেল মেসির নাম ঘোষণা করে। কাব ফুটবলের পারফর্মেন্সের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের ৯৬ জন ক্রীড়া সাংবাদিকের ভোটে প্রতিবছর ব্যালন ডি’অর বিজয়ীকে বেছে নেয়া হয়। উল্লেখ্য ১৯৫৬ সালে ব্যালন ডি’অর (গোল্ডেন বল) পদকের প্রবর্তন করেন ফ”ান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের প্রধান লেখক গ্যাব্রিয়েল হ্যানট। প্রথম ব্যালন ডি’অর পদক জিতেন ইংলিস ফুটবলার স্ট্যানলি ম্যাথুস।
এ বছর মেসির জেতা পুরস্কার
# উয়েফা বর্ষসেরা কাব স্ট্রাইকার ও ফুটবলার
# এলএফপি সেরা স্ট্রাইকার ও ফুটবলার
# আলফ্রেডো ডি স্টেফানো
# প্রেমিও ডন ব্যালন
# ব্যালন ডি’অর
ব্যালন ডি’অর জয়ী সর্বশেষ পাঁচ
| সাল | খেলোয়াড় | দেশ | ক্লাব |
| 20090 | লিওনেল মেসি | আর্জেন্টিনা | বার্সেলোনা |
| 20080 | ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো | পর্তুগাল | ম্যানচেস্টার ইউ. |
| 20070 | কাকা | ব্রাজিল | এসি মিলান |
| 20060 | ফ্যাবিও ক্যানাভেরা | ইটালি | রিয়াল মাদ্রিদ |
| 20050 | রোনালদিনহো | ব্রাজিল | বার্সেলোনা |
ফিফা বিচ ওয়ার্ল্ডকাপ’০৯
চ্যাম্পিয়ন : ব্রাজিল
রানারআপ : সুইজারল্যান্ড
৩য় স্থান : পর্তুগাল
গোল্ডেন বল : ডেজান স্টেংকোভিস (সুইজারল্যান্ড)
গোল্ডেন বুট : ডেজান স্টেংকোভিস (সুইজারল্যান্ড)
বিশ্বক্লাব বিশ্বকাপ’০৯
স্বাগতিক দেশ : সংযুক্ত আরব আমিরাত
চ্যাম্পিয়ন : বার্সেলোনা
রানারআপ : এস্টুডিয়ান্তেস
৩য় স্থান : পোহাং স্টিলারস
সর্বোচ্চ গোল : ডেনিলসন
সেরা খেলোয়াড় (গোল্ডেন বল) : লিওনেল মেসি
বঙ্গবন্ধু সাফ ফুটবল’০৯
চ্যাম্পিয়ন: ভারত
রানার্সআপ: মালদ্বীপ
সেরা খেলোয়াড়: আশফাক (মালদ্বীপ) ও অরিন্দম (ভারত)
ফেয়ার প্লে ট্রফি : বাংলাদেশ
টূর্নামেন্টের নাম: ১৯৯৩ সালে ‘সার্ক গোল্ড কাপ’ ১৯৯৫ সালে ‘সাউথ এশিয়ান গোল্ড কাপ’, ১৯৯৭ সালে ‘সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন গোল্ডকাপ/চ্যাম্পিয়নশিপ’, ২০০৯ সালে ‘বঙ্গবন্ধু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ’
রোল অব অনার
সন স্বাগতিক দেশ চ্যাম্পিয়ন রানার্সআপ
১৯৯৩ পাকিস্তান ভারত শ্রীলংকা
১৯৯৫ শ্রীলংকা শ্রীলংকা ভারত
১৯৯৭ নেপাল ভারত মালদ্বীপ
১৯৯৯ ভারত ভারত বাংলাদেশ
২০০৩ বাংলাদেশ বাংলাদেশ মালদ্বীপ
২০০৫ পাকিস্তান ভারত বাংলাদেশ
২০০৮ মালদ্বীপ-শ্রীলংকা মালদ্বীপ ভারত
২০০৯ বাংলাদেশ ভারত মালদ্বীপ
ক্রিকেট
ভারত-শ্রীলংকা সিরিজ
টেস্ট: আহমেদাবাদে ১ম টেস্ট ড্র। এ ম্যাচে শ্রীলংকা এক ইনিংসে ভারতের মাটিতে সর্বোচ্চ ৭৬০ রান তোলে। ২য় টেস্টে ইনিংস ও ১৪৪ রানে এবং ৩য় টেস্টে ইনিংস ২৪ রানে জয়ের মাধ্যমে ভারত প্রথমবারের মত টেস্টে র্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠে। উল্লেখ্য ২০০১ সালে প্রথমবারের মত আইসিসি টেস্টে র্যাংকিং প্রথা চালু করে।
টি/২০ :১ম ম্যাচে শ্রীলংকা ২৯ রানে জয়ী। ম্যাচ সেরা কুমার সাঙ্গাকারা। ২য় ম্যাচে মোহালিতে টি/২০’র ইতিহাসে সর্বাধিক রান ২০৭ তাড়া করে জয়ের রেকর্ড করে সমতায় ফেরে ভারত। ম্যান অব দ্য ম্যাচ যুবরাজ।
অস্ট্রেলিয়া-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট সিরিজ
১ম টেস্টে অস্ট্রেলিয়া জয়ী। ২য় টেস্ট ড্র। ৩য় টেস্টে অস্ট্রেলিয়া ৩৫ রানে জয়ী হলে তারা সিরিজ জেতে ২-০ ব্যবধানে। ম্যান অব দ্য ম্যাচ ও সিরিজ ক্রিস গেইল।
ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ
চ্যাম্পিয়ন : মোহামেডান
রানারআপ : বিমান
৩য় স্থান : আবাহনী
ম্যান অব দ্য ফাইনাল : রানা নাভেদ
রোল অব অনার
সাল চ্যাম্পিয়ন রানারআপ
২০০৯-১০ মোহামেডান বিমান
২০০৮-০৯ আবাহনী সূর্যতরুণ
২০০৭-০৮ আবাহনী বিমান
২০০৬-০৭ আবাহনী মোহামেডান
২০০৫-০৬ ডিওএইচএস সোনারগাঁ ক্রিকেটারস
বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ সাকিব ও রাজীব
বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি ২০০৮ ও ২০০৯ সালের সেরা ক্রীড়াবিদ, বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ, উদীয়মান ও খেলোয়াড়, ক্রীড়া সংগঠক, পৃষ্ঠপোষক, প্রশিক, সংস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি এই প্রথম বিভিন্ন খেলাধুলায় অংশগ্রহণকারী সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
২০০৮ সাল : ওয়ালী ফয়সাল (ফুটবল), তামিম ইকবাল (ক্রিকেট), মামুনুর রহমান চয়ন (হকি), মাহবুব আনাম (সংগঠক), বশির আহমেদ (আজীবন সম্মাননা), সিটিসেল (পৃষ্ঠপোষক), বাংলাদেশ আনসার (সক্রিয় সংস্থা), বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ (এসএ মহসিন ট্রফি), এনামুল হোসেন রাজীব (দাবা)।
২০০৯ সাল : কাজী মোঃ সালাউদ্দিন (সংগঠক), রানী হামিদ (আজীবন সম্মাননা), ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড (পৃষ্ঠপোষক), উদীয়মান ক্রীড়াবিদ ইমদাদুল হক মিলন (আরচারি), মারুফুল হক ( কোচ), ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঢাকা ( সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান), বাংলাদেশ সেনাবাহিনী (সক্রিয় সংস্থা), বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ (এসএ মহসিন ট্রফি), সাকিব আল হাসান (ক্রিকেট)।
হকি
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি
স্বাগতিক দেশ : অস্ট্রেলিয়া
চ্যাম্পিয়ান : অস্ট্রেলিয়া
রানারআপ : জার্মানি
৩য় স্থান : নেদারল্যান্ড
ইয়াং প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার
২০০৯ : অ্যাশলে জ্যাকসন
২০০৮ : ইডি অকেডেন, ২০০৭ : মার্ক নোলেস
অন্যরকম : ১৩২ বছরের টেস্ট ইতিহাস বদল
মুম্বাইয়ে ভারত-শ্রীলঙ্কা টেস্ট অনেক কারণেই স্মরণীয় হয়ে থাকবে । ৩৬ বছর পর ব্র্যাবোর্নে টেস্ট ম্যাচ, বীরেন্দর শেবাগের আরেকটি অতিমানবীয় ইনিংস (২৯৩), সিরিজ জিতে ভারতের এক নম্বরে উঠে যাওয়া এসব কারণ তো আছেই। আরেকটি কারণ শ্রীলঙ্কার অনন্য কীর্তি, কিংবা ভারতেরও। ১৩২ বছরের টেস্ট ইতিহাসে এটাই একমাত্র টেস্ট, যেখানে দুই ইনিংস মিলিয়ে সাতশ’র বেশি রান করেও ইনিংসে হেরেছে কোনো দল। এই ‘গৌরব’ অর্জন করেছে শ্রীলঙ্কা, আর করিয়েছে ভারত। দুই ইনিংসে শ্রীলঙ্কা করেছিল ৩৯৩ ও ৩০৯, ভারত এক ইনিংসেই ৭২৬। তবে ইনিংসে না হলেও সাত শর বেশি রান করে টেস্ট হারার ঘটনা আছে আরও ২৪টি! সবচেয়ে বেশি ৮৬১ রান করে হেরেছে ইংল্যান্ড, ১৯৪৮ সালে হেডিংলিতে। চতুর্থ ইনিংসে জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন ছিল ৪০৪, স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের ‘দ্য ইনভিন্সিবল’ দল সেটা করে ফেলেছিল মাত্র ৩ উইকেট হারিয়েই।










আপনার পক্ষে যদি প্রতিদিন এই সাইটে আসা সম্ভব না হয়, তাহলে আপনি আমাদের
এই লেখা সম্পর্কে আপনার মতামত দিন!